বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আমদানির খবরে পেঁয়াজের দাম কমছে

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩, ২:৩৫ পিএম
আমদানির খবরে পেঁয়াজের দাম কমছে

আমদানির খবরে দেশের মোকাম ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। মোকামে মন প্রতি সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আর পাইকারিতে ২৫ টাকা কমেছে। দেশের বিভিন্ন মোকাম ও পাইকারি বাজারের খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবনা, ফরিদপুর, রাজশাহীর পেঁয়াজের মোকাম মালিকেরা জানান, গত রোববার তাদের এলাকায় প্রতিমণ (৪০ কেজি) পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা। আজ সোমবার তা বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায়।

পাবনার মথুয়াপাড়া গ্রামের কৃষক মামুনুর রহমান জানান, আমদানির অনুমোদনটা আরও কয়েক দিন পরে দিলে কৃষকদের জন্য খুব ভালো হতো। দাম যেভাবে কমা শুরু হয়েছে তাদের কৃষকদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচানোর উপায় নেই।

রাজধানীর পুরান ঢাকার পাইকারি বাজার শ্যামবাজার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একদিনের ব্যবধানে সেখানে পেঁয়াজের দাম কেজি ২৪ থেকে ২৫ টাকা দাম কমে গেছে।

Model Hospital

শ্যামবাজারের আজমেরী ভান্ডারের বিক্রয় প্রতিনিধি মনির হোসেন জানান, গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৯০ থেকে ৯২ টাকায়। আর সোমবার ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে তাদের বিপুল অঙ্কের লোকসান হবে।

উল্লেখ্য, পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় বিগত ১৫ মার্চ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৫ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। আর এ বছর উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টন। পেঁয়াজের সংগ্রহ থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে বিভিন্ন ধাপে অপচয় ২৫-৩০ শতাংশ বাদে গত বছর নিট উৎপাদন হয়েছে ২৪.৫৩ লক্ষ মে. টন।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৮-৩০ লক্ষ টন। ২০২১-২২ অর্থ বছরে পেঁয়াজ আমদানি হয় ৬ লাখ ৬৫ লক্ষ টন।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী, রোববার প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৯৫ থেকে ১০০ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।