ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন : আপিলে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ৯ কাউন্সিলন প্রার্থী

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনে আপিলের পর ১১ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। ২৩ জুন দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুনানী শেষে তিনি এ রায় ঘোষনা করেন।

Model Hospital

গত ১৯ জুন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে একজন মেয়র প্রার্থী ও ১১জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। আপিলের পর ১০জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

শুক্রবার ছেংগারচর পৌর-নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতীত বাকি ৯ জনের আপীল আবেদন মঞ্জুর করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র যথাযথ ভাবে পূরণ না করা, হলফনামায় ত্রুটি, মামলা সংক্রান্ত তথ্য কয়েকটি বিষয়ে ত্রুটি থাকায় সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

যাচাই-বাছাইয়ের সকল প্রক্রিয়া শেষ করে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৪জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া মনোনয়নপত্রে ত্রুটি না থাকায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৯ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর আপিল দায়েরের শেষ সময় ২২ জুন নির্ধারণ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ১২ জনের মধ্যে

১নং ওয়ার্ডে মো. সবুজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডে মো. খোকন মিয়া, ৪নং ওয়ার্ডে মো. নাজমুল হাসান ও মো. শাহজালাল মুফতি ৫নং ওয়ার্ডের আবদুল লতিফ মিয়াজী ও আবদুল মান্নান বেপারী, ৭নং ওয়ার্ডে মো. বিল্লাল হোসেন ও আবদুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ডে মো. জামান সরকার ও মো. শাহাজান মোল্লা’সহ ১০জন নির্বানের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বরাবর আপীল আবেদন করেন।
শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আপিলের শুনানি শেষে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পায়। অপরদিকে আপিলের পরও ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সবুজ মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ১০ জন আপিল করেন। আপিল শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতিত ৯ জনের মনোনয়ন বৈধতা পায়। ২৫ জুন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২৬ জুন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১৭ জুলাই ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরের তিন উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা কে কত ভোট পেলেন

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন : আপিলে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ৯ কাউন্সিলন প্রার্থী

আপডেট সময় : ১২:২৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনে আপিলের পর ১১ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। ২৩ জুন দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুনানী শেষে তিনি এ রায় ঘোষনা করেন।

Model Hospital

গত ১৯ জুন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে একজন মেয়র প্রার্থী ও ১১জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। আপিলের পর ১০জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

শুক্রবার ছেংগারচর পৌর-নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতীত বাকি ৯ জনের আপীল আবেদন মঞ্জুর করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র যথাযথ ভাবে পূরণ না করা, হলফনামায় ত্রুটি, মামলা সংক্রান্ত তথ্য কয়েকটি বিষয়ে ত্রুটি থাকায় সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

যাচাই-বাছাইয়ের সকল প্রক্রিয়া শেষ করে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৪জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া মনোনয়নপত্রে ত্রুটি না থাকায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৯ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর আপিল দায়েরের শেষ সময় ২২ জুন নির্ধারণ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ১২ জনের মধ্যে

১নং ওয়ার্ডে মো. সবুজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডে মো. খোকন মিয়া, ৪নং ওয়ার্ডে মো. নাজমুল হাসান ও মো. শাহজালাল মুফতি ৫নং ওয়ার্ডের আবদুল লতিফ মিয়াজী ও আবদুল মান্নান বেপারী, ৭নং ওয়ার্ডে মো. বিল্লাল হোসেন ও আবদুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ডে মো. জামান সরকার ও মো. শাহাজান মোল্লা’সহ ১০জন নির্বানের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বরাবর আপীল আবেদন করেন।
শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আপিলের শুনানি শেষে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পায়। অপরদিকে আপিলের পরও ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সবুজ মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ১০ জন আপিল করেন। আপিল শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতিত ৯ জনের মনোনয়ন বৈধতা পায়। ২৫ জুন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২৬ জুন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১৭ জুলাই ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।