বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন : আপিলে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ৯ কাউন্সিলন প্রার্থী

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩, ১২:২৪ এম
ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন : আপিলে মনোনয়নপত্র ফিরে পেলেন ৯ কাউন্সিলন প্রার্থী

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনে আপিলের পর ১১ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। ২৩ জুন দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুনানী শেষে তিনি এ রায় ঘোষনা করেন।

গত ১৯ জুন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে একজন মেয়র প্রার্থী ও ১১জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। আপিলের পর ১০জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

শুক্রবার ছেংগারচর পৌর-নির্বাচনের আপীল কর্মকর্তা চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতীত বাকি ৯ জনের আপীল আবেদন মঞ্জুর করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র যথাযথ ভাবে পূরণ না করা, হলফনামায় ত্রুটি, মামলা সংক্রান্ত তথ্য কয়েকটি বিষয়ে ত্রুটি থাকায় সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

যাচাই-বাছাইয়ের সকল প্রক্রিয়া শেষ করে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৪জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

এ ছাড়া মনোনয়নপত্রে ত্রুটি না থাকায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৯ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর আপিল দায়েরের শেষ সময় ২২ জুন নির্ধারণ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ১২ জনের মধ্যে

১নং ওয়ার্ডে মো. সবুজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডে মো. খোকন মিয়া, ৪নং ওয়ার্ডে মো. নাজমুল হাসান ও মো. শাহজালাল মুফতি ৫নং ওয়ার্ডের আবদুল লতিফ মিয়াজী ও আবদুল মান্নান বেপারী, ৭নং ওয়ার্ডে মো. বিল্লাল হোসেন ও আবদুল মতিন, ৮নং ওয়ার্ডে মো. জামান সরকার ও মো. শাহাজান মোল্লা’সহ ১০জন নির্বানের আপীল কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বরাবর আপীল আবেদন করেন।
শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আপিলের শুনানি শেষে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পায়। অপরদিকে আপিলের পরও ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সবুজ মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

ছেংগারচর পৌরসভার নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ১০ জন আপিল করেন। আপিল শুনানি শেষে সবুজ মিয়া ব্যতিত ৯ জনের মনোনয়ন বৈধতা পায়। ২৫ জুন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২৬ জুন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১৭ জুলাই ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital