ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরের মেঘনায় তিনটি বাল্কহেড জব্দ, আটক ৬

মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদী থেকে তিনটি ব্লাকহেডসহ ছয়জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোহনপুর সংলগ্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান।

Model Hospital

আটকরা হলেন- সাইদুল ইসলাম (৪০), মো. ঝন্টু মিয়া (৩৯), সুমন (৪০), মো. সুলতান (৭০), মো. ফিরোজ মিয়া (৪৭), সুমন (৪৯)।

জব্দ করা ব্লাকহেডগুলো হলো- দিনের আলো-১, দিনের আলো-২ ও তমাল নেভিগেশন।

দিনের আলো-২ এর মাস্টার মো. সুলতান মিয়া জানান, ফরিদপুর থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে ব্লাকহেডে বালু ভর্তি করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। তাদের কাজ হচ্ছে বহন করা। তার মতো প্রতিরাতে বালুবাহী কমপক্ষে শতাধিক বাল্কহেড ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তার বাল্কহেডের কাগজপত্র ঠিক আছে বলে জানান তিনি।

মোহনপুর নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান, মেঘনা নদীর সীমানায় অসংখ্য বাল্কহেডের কারণে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে চলাচল করার সময় এ ধরনের সমস্যায় বেশি পড়তে হচ্ছে।

নদীতে যত্রতত্র বাল্কহেড নোঙর করে রাখায় বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে বলে তিনি জানান।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অন্ধকারে বাল্কহেড চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা বাল্কহেডের বেশিরভাগ অংশই পানিতে ডুবে থাকে। এছাড়া লাইটিংয়ের তেমন ব্যবস্থা নেই। এতে করে দ্রুতগামী নৌযানের সঙ্গে যেকোনো মুহূর্তে সংঘর্ষ ঘটতে পারে।

রাতে নদীতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মতলব উত্তরের মেঘনায় তিনটি বাল্কহেড জব্দ, আটক ৬

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদী থেকে তিনটি ব্লাকহেডসহ ছয়জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোহনপুর সংলগ্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান।

Model Hospital

আটকরা হলেন- সাইদুল ইসলাম (৪০), মো. ঝন্টু মিয়া (৩৯), সুমন (৪০), মো. সুলতান (৭০), মো. ফিরোজ মিয়া (৪৭), সুমন (৪৯)।

জব্দ করা ব্লাকহেডগুলো হলো- দিনের আলো-১, দিনের আলো-২ ও তমাল নেভিগেশন।

দিনের আলো-২ এর মাস্টার মো. সুলতান মিয়া জানান, ফরিদপুর থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে ব্লাকহেডে বালু ভর্তি করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। তাদের কাজ হচ্ছে বহন করা। তার মতো প্রতিরাতে বালুবাহী কমপক্ষে শতাধিক বাল্কহেড ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তার বাল্কহেডের কাগজপত্র ঠিক আছে বলে জানান তিনি।

মোহনপুর নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান, মেঘনা নদীর সীমানায় অসংখ্য বাল্কহেডের কারণে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে চলাচল করার সময় এ ধরনের সমস্যায় বেশি পড়তে হচ্ছে।

নদীতে যত্রতত্র বাল্কহেড নোঙর করে রাখায় বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে বলে তিনি জানান।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অন্ধকারে বাল্কহেড চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা বাল্কহেডের বেশিরভাগ অংশই পানিতে ডুবে থাকে। এছাড়া লাইটিংয়ের তেমন ব্যবস্থা নেই। এতে করে দ্রুতগামী নৌযানের সঙ্গে যেকোনো মুহূর্তে সংঘর্ষ ঘটতে পারে।

রাতে নদীতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।