সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

পৌর মেয়রের সু-দৃষ্টি কামনা : হাজীগঞ্জে চলাচল সড়কে দেয়াল, অবরুদ্ধ ২০ পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩, ৬:৫০ পিএম
পৌর মেয়রের সু-দৃষ্টি কামনা : হাজীগঞ্জে চলাচল সড়কে দেয়াল, অবরুদ্ধ ২০ পরিবার
হালট দিয়ে মাটির রাস্তা তৈরি করারর পরে ও সামনের বাড়ির লোকজনের বাঁধায় জন চলাচলে অবরুদ্ধ রয়েছে প্রায় ২০ টি পরিবার। সড়কের সামনের অংশে দেয়াল নির্মান করে ফেলার কারনে বর্ষা মৌসুমে পানি কাদায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ পরিবারগুলো। সড়কে দেয়াল নির্মানকারী পরিবারগুলোর দাবী যথানিয়মে আসলে পথ দেয়া হবে নচেৎ না।  তবে স্থানীয় কাউন্সিলর বলছেন জনস্বার্থে সড়কের একটা ব্যবস্থা করে দিতে হবে।  ঘটনাটি হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ধেররা এলাকার।
খোঁজ নিয়ে ও সরজমিনে দেখা যায়, ইউসুফ আলি মির্জা বাড়ির পিছনে লিলাম বাড়ি। নিলাম বাড়িতে প্রায় ২০ টি পরিবারের স্থায়ী বসতি হলে ও বাড়ি থেকে বের হবার কোন সড়ক নেই বাড়িটির। সম্প্রতি সময় নিলাম বাড়ির লোকজন হালটে দিয়ে মাটির রাস্তা বেঁধে ইউসুফ আলী মির্জা বাড়ির সীমানায় এনে শেষ করেন। মাটির রাস্তার কাজ শেষ হলে মির্জা বাড়ির লোকজন হঠাৎ করে বাকী রাস্তা নির্মানে বাঁধা দেয় আর রাস্তায় পাকা দেয়াল তুলে প্রতিবন্ধকতা করে দেয়। সেই থেকে নিলাম বাড়ির লোকজন চরম দূর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করছে বিশেষ করে বাড়ির শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যেতে হাটার পথ প্রধান বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে ।
ভূক্তভোগী বশির উল্যাহ পন্ডিতের মিলন মিয়া জানান,  আমরা অভিভাবক হিসেবে পৌর মেয়র আ স ম মাহবুব উল আলম স্যার ও আমাদের কাউন্সিলর বাদল ভাইয়ের দিকে ছেয়ে আছি। উনারা আমাদের দিকে সু-দৃষ্টি দিলে আমাদের পথের ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
এ দিকে ইউসুফ আলী মির্জা বাড়িতে গত শনিবার দুপুরে গেলে কথা বলার মতো কোন পুরুষ পাওয়া যায় না। সবাই কাজে গেছে বলে বাড়ির মোখলেছুর রহমান মির্জার ছেলে হাবিব জানিয়েছেন, হাবিব আরো জানান,  তারা আমাদের বাড়ির পাশে দিয়ে পথ নিতে চায় আবার আমাদেরকে আসামী করে মামলা করে এটা তো হতে পারে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মোহসিন ফারুক বাদল জানান,  যে কোন ভাবে জনস্বার্থে জনগন চলাচলকারী রাস্তা করে দিতে হবে। সেভাবেই আমরা একটা ব্যবস্থা করে দেবো।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।