বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

উদ্বোধনের অপেক্ষায় মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:১৭ পিএম
উদ্বোধনের অপেক্ষায় মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।

মতলব উত্তর ব্যুরো : ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মতলব উত্তর উপজেলা। এলাকায় অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটলে খবর জানাতে হতো মতলব দক্ষিণ বা চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে।

যদিও এতদূর থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম অবস্থায় পড়তে হতো ফায়ার সার্ভিস কর্মীদেরকে।
অবশেষে মতলব উত্তর উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। গজরা ইউনিয়ন ছৈয়ালকান্দি এলাকার রাস্তার পার্শ্বে স্টেশনটি নির্মাণ করা হয়েছে। ২ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৪৯৫ টাকা ব্যয়ে ৩ তলাবিশিষ্ট মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে চাঁদপুর গণপূর্ত বিভাগ।

উপজেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকায় একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শেষ হয়েছে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের কাজ। এখন শুধু কার্যক্রম চালু করার অপেক্ষা।

ছেংগারচর পৌর বাজার বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি হাজী মনির হোসেন বেপারী বলেন, মতলব উত্তর অতীত সময়ে বহু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তুফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে খবর দেওয়া হতো। কিন্তু সেখান থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসতে আসতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যেতো। এখন আমাদের সন্নিকটে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন নির্মিত হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। আমরা উদ্বোধনের অপেক্ষার প্রহর গুণছি।

Model Hospital

ছেংগারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল মান্নান বেপারী বলেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রংয়ের কাজ চলছে। উদ্ধোধনের বিষয়ে এমপি মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই এর উদ্বোধন হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী শরিফুল হাসান বলেন, সাধারণত মতলব উত্তর উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তুলনামূলক বেশি। এখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে আমাদের চাঁদপুর জেলা ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার সাহায্য নিতে হয়। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে আসার আগেই অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। এখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যেন এখানে একটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত হয়। অত্যন্ত আনন্দের বিষয় খুব শিগগিরই আমরা আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন পেতে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু মোহাম্মদ সাজেদুল কবির জোয়ারদার বলেন, লোকবল এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এখনো আংশিক কাজ বাকি আছে। ইতোমধ্যে গণপূর্ত বিভাগ চাঁদপুরের প্রকৌশলীর সাথে কথা হয়েছে কাজটি দ্রুত সমাপ্ত করার জন্য।

তিনি আরও জানান, আমরা কন্ট্রাক্টরকে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসে উদ্বোধন করা যেতে পারে বলেও তিনি জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।