বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নেতাকর্মীদের বাড়ী-বাড়ী যেয়ে অহেতুক হয়রানি করছে পুলিশ : ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩, ১১:০১ পিএম
নেতাকর্মীদের বাড়ী-বাড়ী যেয়ে অহেতুক হয়রানি করছে পুলিশ : ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় ও হাজীগঞ্জ শাহরাস্তির গ্রেফতার করা নেতৃবৃন্দর নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মমিনুল হক।

ওই সময় তিনি বলেন, পুলিশ হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের আটক করছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গভীর রাতে বিএনপি নেতাকর্মী-সমার্থকদের বাড়ী-বাড়ী যেয়ে অহেতুক হয়রানি করছে থানা পুলিশ। শুধু তাই নয়, বাড়ীতে না পেয়ে পরিবারের নারী-শিশুদের সাথে চরম খারাপ ব্যবহার করছে।

গনতন্ত্র হরণকারী স্বৈরাচারী সরকার হীন চক্রান্তের মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হামলা, মামলা ও নির্যাতন অব্যাহত রেখে একদফা আন্দোলনকে বাঁধা দেয়ার হীন চক্রান্তে লিপ্ত আছে। গনতন্ত্র পুনরোদ্ধার আন্দোলনের অগ্রসৈনিকদের কেউ কোনোদিন থামিয়ে রাখতে পারেনি, বর্তমান অনির্বাচিত সরকারও পারবে না।

Model Hospital

নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে ভূমিকা পালন করার আহবান জানান। গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারের আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপি নেতাকর্মীরা যাতে নিরুৎসাহী হয় কিংবা অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেজন্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও তাদেরকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

আমরা তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার ও শর্তহীন মুক্তির জোর দাবি করছি এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বৈরাচারী কায়দায় নির্বিচারে বিএনপি নেতা – কর্মীদের গ্রেফতার না করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আহবান ও গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবী জানান।

আগামীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে আন্দোলনের ঘোষনা দিবেন নেতাকর্মীদের সে সব আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থাকার আহবান করেন বিএনপির এ নেতা।

ওই সময় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম পাটওয়ারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ আলী আকবর, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ নাফের শাহ, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবুল খায়ের মজুমদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন-আহবায়ক মো. হুমায়ন কবির সুমন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো. বিল্লাল হোসেন বেলাল,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জুয়েল রানা তালুকদারসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল’সহ বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।