ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে বোরো চাষে খরচ বেড়েছে

মতলব উত্তরে এ বছর বোরো ধান চাষে খরচ বেড়েছে। কৃষকরা বলছেন, ডিজেল, সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

Model Hospital

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯ হাজার ৯৮৪ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা এরই মধ্যে ধানের চারা রোপণ শুরু করেছেন। গত মৌসুমে বাজারে আমন ধানের দাম ভালো পাওয়ায় বোরো চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের।

এদিকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। পাশাপাশি কীটনাশক, বীজ, সার ও ডিজেলের দাম বাড়ায় গত বছরের তুলনায় বিঘাপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের কৃষক ফয়েজ আহমেদ বলেন, গত বছর এক বিঘা জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণ করতে খরচ হয়েছিল ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি খরচ বেড়েছে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। সেই হিসেবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বিঘাপ্রতি ১১ থেকে ১৪ শতাংশ বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে চাষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বোরো ধান চাষে সুষম মাত্রায় সার দেওয়ার জন্যও লাইন, লোগো এবং পার্সিং করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে মাদরাসাতু মুহাম্মদ সাঃ উদ্বোধন

মতলব উত্তরে বোরো চাষে খরচ বেড়েছে

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মতলব উত্তরে এ বছর বোরো ধান চাষে খরচ বেড়েছে। কৃষকরা বলছেন, ডিজেল, সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

Model Hospital

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯ হাজার ৯৮৪ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা এরই মধ্যে ধানের চারা রোপণ শুরু করেছেন। গত মৌসুমে বাজারে আমন ধানের দাম ভালো পাওয়ায় বোরো চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের।

এদিকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। পাশাপাশি কীটনাশক, বীজ, সার ও ডিজেলের দাম বাড়ায় গত বছরের তুলনায় বিঘাপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের কৃষক ফয়েজ আহমেদ বলেন, গত বছর এক বিঘা জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণ করতে খরচ হয়েছিল ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি খরচ বেড়েছে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। সেই হিসেবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বিঘাপ্রতি ১১ থেকে ১৪ শতাংশ বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে চাষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বোরো ধান চাষে সুষম মাত্রায় সার দেওয়ার জন্যও লাইন, লোগো এবং পার্সিং করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।