মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জের চরদু:খিয়া পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে যৌথ কর্মীসভায়

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪, ১:২৯ পিএম
ফরিদগঞ্জের চরদু:খিয়া পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে যৌথ কর্মীসভায়

ফরিদগঞ্জের চরদু:খিয়া পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে যৌথ কর্মীসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন আলহাজ্ব এমএ হান্নান।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ হান্নান বলেছেন, আমি আপনাদের বদলা দিতে এসেছি। যে বদলা দেয় তার যদি বদলার টাকা না দেন আল্লায় কি পরকালে এই কৈফিয়ত নিবেন না নিবেন। গত ৩০ বছর যাবত আমি আপনাদের বদলা দিয়েছি।
বাকি জীবন বদলা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। যদি আপনারা আমাকে চাঁন আপনারা আমাকে আপনাদের দারোয়ান বানাবেন। আমি আপনাদের পাহারা দিব। আমি আপনাদের পাহারাদার হয়ে আপনাদের নিরাপদে রাখার চেষ্টা করবো।
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরদু:খিয়া পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে যৌথ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসকল কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমরা জুলুম নির্যাতন সহ্য করে ছিলাম। আমরা ওই সময়ে মিছিল সমাবেশ দুরের কথা বলতেও পারিনি। কিন্তু ৫ আগষ্টের গণ অভ্যুত্থানেরপর আমরা কথা বলতে পারছি। পতিত স্বৈরাচার আমাদের খুঁজে না পেলেও জনগণ ঠিকই আমাদের খুঁজে পেয়েছে। আজকের যৌথ কর্মীসভায় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিই তার প্রমাণ দেয়। কর্মী সভাকে ঘিরে মানুষের উচ্ছ্বাস ও আনন্দ আমাদের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক যে স্বপ্ন দেখছেন তারই একটি রূপ এটি। তবে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, আমরা এখনো ক্ষমতায় আসিনি। আমাদের আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে বিএনপি আবারো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে। রাজনৈতিক কুটকৌশলে একটি চক্র আমার মনোনয়ন ছিনিয়ে নিলেও আমি দমে যাইনি। আপানাদের পাশ থেকেছি। আগামিতে আপনাদের কাজের জন্য জনপ্রতিনিধি তথা আমার ভাষায় বদলা হওয়ার জন্য আপনাদের নিয়ে বিএনপির পতাকা তলে রয়েছি। আশা করছি আপনারাও আমাকে আপনাদের বদলা হিসেবে মনোনীত করতে প্রস্তুত রয়েছেন তো। আমাদের আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে। গত দেড় যুগে আমরা অনেকেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের প্রতিটি নেতাকর্মীকে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন। আপনারা ধৈর্য্য ধরেন, তারা যা করেছে আমরা তা করবো না।
আলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাছি ও আহম্মেদের সভাপতিত্বে এবং ইাউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সুমন আহমেদের পরিচালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্মআহ্বায়ক শরীফ মোহাম্মদ ইউনুছ ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান দুলাল, মঞ্জিল হোসেন, আবু জাফর খসরু মোল্লা, আব্দুল খালেক পাটওয়ারী, নজরুল ইসলাম নজু, মাসুদ আলম, মহসীন মোল্লা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আমানত গাজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্মআহ্বায়ক ফারুক পাটওয়ারী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মঞ্জু, সদস্য সচিব শাওন চৌধুরী, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিক ইকবাল তানভীর, সহ-সভাপতি শামছুল আরেফিন মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলিম বেপারী, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্মআহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মিয়াজী, মাহমুদুল রশিদ তানহা প্রমুখ।
যৌথ সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।