বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া হযরত শাহনেয়ামত শাহ উবি’র রাস্তা তো নয় যেন মরণফাঁদ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১১:০৫ এম
কচুয়া হযরত শাহনেয়ামত শাহ উবি’র রাস্তা তো নয় যেন মরণফাঁদ!

মো: রাছেল : চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় যাওয়ার পূর্ব পাশের রাস্তাটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বিদ্যালয় ঘেঁষে এই রাস্তাটি পলাশপুর সিএনজি স্টেশনের সাথে মিলিত হয়েছে। এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কোমলমতি শিক্ষার্থীর পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। প্রায় দু’বছর যাবত রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তাটি দিয়ে পায়ে হেটেও ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করতে হয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর।রাস্তার অনেকাংশ পাশ্ববর্তী পুকুরে ডেবে গেছে। বেশকদিন ধরে এ রাস্তা সংলগ্ন বিদ্যালয়ের দেওয়ালের কিছু অংশ ভেঙ্গে পুকুরে পরে রয়েছে।যার দরুন যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠে রাস্তাটি।

ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী দীপ্ত, নিলয়সরকার, তানিয়া আক্তার, পূজা, জান্নাত আক্তার, তামান্নসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার এই সড়কটি দিয়ে আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাড়ি থেকে স্কুলে পৌছাতে পারি।কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটিরএকপাশ ডেবে যাওয়ায় আমাদেরকে ২কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে বিদ্যালয়ে পৌছাতে হচ্ছে। যাতে করে আমাদের সময় ও টাকা অপচয় হচ্ছে। তারপরও মাঝে মাঝে স্বল্প সময়ের কারনে আমাদেরকে এই রাস্তাটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েবিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে।এমতাবস্থায় এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানায় শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় অধিবাসী সঞ্জয়, নিমাই সরকার, হযরত আলী, বিলকিস আক্তারসহ একাধিক পথচারী জানান,প্রায়ই এই সড়কেরঝুঁকিপূর্ণ এই অংশটিতে দুর্ঘটনা ঘটছে। যাত্রী সাধারন মনে করেন এ যেনো রাস্তা নয় একটিমরণ ফাঁদ। যে কোন সময় মানুষ গাড়ীসহ পাশ্ববর্তী পুকুরে নিমজ্জিত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা করছে। স্থানীয়রা অচিরেই পৌর কতৃপক্ষের নিকট রাস্তাটির পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ করে রাস্তাটি সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন।

কচুয়া পৌরসভার মেয়র নাজমুল আলম স্বপন জানান,বিদ্যালয়ের যাওয়া আসার রাস্তাটির একটি অংশ পাশে পুকুর থাকায় একদিকে মাটি সরে গিয়ে হেলে পড়ে। হেলে পড়া স্থানটি পরিদর্শন করেছি। পুকুরের পাশে গাইড ওয়ালসহ অচিরেই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য দরপত্র আহবানের প্রক্রিয়াধীনরয়েছে।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।