মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর প্রেসক্লাব পরিদর্শন ও মতবিনিময়

চাঁদপুর প্রেসক্লাবটি প্রশংসার দাবিদার : বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০৩ পিএম
চাঁদপুর প্রেসক্লাবটি প্রশংসার দাবিদার : বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম

চাঁদপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম ও উপ-সচিব মো: আব্দুস সবুরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সোহেল রুশদী ও সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশসহ নেতৃবৃন্দ।

চাঁদপুর প্রেসক্লাব ভবন পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।

রোববার (২৭ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ) বিকেল সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সাথে
মতবিনিময় সময় অনুষ্ঠিত হয়।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সোহেল রুশদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সচিব (উপ-সচিব) মো: আব্দুস সবুর।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন, রিয়াদ ফেরদৌস, আল ইমরান শোভন, মাহবুবুর রহমান সুমন, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম রনি, এডভোকেট চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, লাইব্রেরিয়ান সম্পাদক হাসান মাহমুদ, প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ।

Model Hospital

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন,  চাঁদপুর প্রেসক্লাবটি প্রশংসার দাবিদার, আজকে আমি এই প্রেসক্লাব দেখে খুবই আনন্দিত হয়েছি, ইনশাআল্লাহ আবার আমি এই প্রেসক্লাবে আসবো, আমরা অনেক সময় মনে করি ঢাকার পরে সবই হচ্ছে মফস্বল, কিন্তু বিষয়টি তা নয়, একটি জেলাকে নেতৃত্ব দিচ্ছে একটি প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাবটির পরিবেশ দেখে আমি এতই আনন্দিত হয়েছি যে, আগে জানলে আজকে যে সাংবাদিকদের নিয়ে সার্কিট হাউসে প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে তা আমি প্রেসক্লাবের মধ্যে দিতাম। আমাকে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলরের দায়িত্ব দিয়েছে, আমি চেষ্টা করব সাংবাদিকদের জন্য কিছু করার।

তিনি আরো বলেন,  আজকে এখানে এসে জানতে পারলাম এই প্রেসক্লাবের একজন সদস্য মারা গেলে তার পরিবারকে দুই লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়, আমাদের বিচারপতি মারা গেলে আমরা এক লক্ষ টাকা অনুদান দিয়ে থাকি, কিন্তু চাঁদপুর প্রেসক্লাবের কার্যক্রম আমাদের থেকেও এগিয়ে, আমি এই প্রেসক্লাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। আমরা সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য কাজ করছি । এ জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই ।

শুরুতেই চাঁদপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম ও উপ-সচিব মো: আব্দুস সবুরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সোহেল রুশদী ও সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশসহ নেতৃবৃন্দ ।

সবশেষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিমের হাতে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র ও সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশের লিখিত বই তুলে দেওয়া হয় ।

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।