সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে চাঁদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ৫:০৪ পিএম
ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে চাঁদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে এবং সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের তত্ত্বাবধানে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ৩০ জন সাংবাদিকের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল সাংবাদিকতা’ বিষয়ক কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল হলরুমে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা সমাপনী শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে সাংবাদিকদের সনদপত্র ও উপহার তুলেদেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির।

এর আগে শনিবার দুপুরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিডিয়া ল্যাবে এই কর্মশালার উদ্বোধন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল এবং মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. লিজা সারমিন।

Model Hospital

প্রথম দিনের সেশনে ‘অনলাইন সাংবাদিকতা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান জামিল।

এদিকে ৩ আগস্ট সমাপনী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আমিনুল ইসলাম হলে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ‘ফ্যাক্টচেকিং’ বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করেন সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক ইহা অবাপ্তি। এরপর ‘সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ও দায়িত্ব’ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান আফতাব হোসেন। শেষ সেশনে ‘সোশ্যাল মোবাইল সাংবাদিকতা’ নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান জামিল।

দুপুরের পর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির।এ সময় তিনি বলেন, ডিজিটাল সাংবাদিকতায় দক্ষতা অর্জনে এ ধরনের প্রশিক্ষণ সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

ড্যাফোডিল সবসময় সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে পাশে থাকবে। পরে তিনি অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

প্রশিক্ষণ শেষে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিরা বলেন, আধুনিক সাংবাদিকতায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনে এ আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতে আরও যৌথ কার্যক্রম আয়োজনের আশা ব্যক্ত করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ, সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান আফতাব হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হাবিব কাজল।

দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল সাংবাদিকতা’ বিষয়ক কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা হলেন, রহিম বাদশা, কাদের পলাশ, মুনির চৌধুরী, মির্জা জাকির, আল ইমরান শোভন, ইয়াসিন ইকরাম, হাসান মাহমুদ, তালহা জুবায়ের, শরীফুল ইসলাম, সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, মিজানুর রহমান, ওয়াদুদ রানা, মিজানুর রহমান লিটান, কামরুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম অনিক, বিল্লাল ঢালী, এইচ এম নিজাম, মনিরুজ্জামান বাবলু, রহমান রুবেল, আলআমিন ভূইয়া, আব্দুর রহমান গাজী, আলমগীর হোসেন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম শান্ত, ইকবাল বাহার, আলআমিন হোসাইন, কাজী আজিজুল হাকিম, মেহেদী হাসান সম্রাট।

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।