বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

৮ দফা দাবীতে চাঁদপুরে স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৩:১৮ পিএম
৮ দফা দাবীতে চাঁদপুরে স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন

এইচ.এম নিজাম : শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করন ও পূর্নাঙ্গ উৎসব ভাতাসহ ৮ দফা দাবীতে স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন চাঁদপুর জেলা শাখা মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেছেন।

১৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।

স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন চাঁদপুর জেলা শাখার আহবায়ক অধ্যক্ষ মো: মাসুদ আহাম্মদের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ মো: আনোয়ার উল্যার পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মো: আরিফ উল্যাহ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, স্বাধীনতা শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশ এর নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন , প্রদীপ কুমার দাস, তাজুল ইসলাম হাওলাদার, ওয়াহিদুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ। বক্তারা শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন, পূর্নাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান এবং নন,এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভূক্ত করার দাবী জানান।

মানববন্ধনে শিক্ষকদের ঘােষিত ০৮ দফা দাবী সমূহ: ঐতিহাসিক মুজিব বর্ষেই শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘােষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সার্বজনীন বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা। আসন্ন ঈদের পূর্বেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান এবং সরকারি অনুরূপ বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদানের জন্য আসন্ন বাজেটে প্রয়ােজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা।

Model Hospital

সরকারি সকল শর্ত পুরণ করে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল স্কুল, কলেজ,মাদরাসা ও কারিগরি (স্বতন্ত্র এবতেদায়ি,অনার্স,মাস্টার্স সহ) প্রতিষ্ঠানকে অতিদ্রুত এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা করা। শিক্ষা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষা বাের্ড, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিসহ বিভিন্ন অধিদপ্তর ও শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরােধীদের অবিলম্বে প্রত্যাহার করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সৎ এবং যােগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন করা।

করােনায় ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আর্থিক প্রণােদনা,বিশেষ বৃত্তি,অনুদান প্রদান, সকল শিক্ষার্থীদের বিনা মুল্যে ডিভাইস,খাতা কলম সহ অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী প্রদান এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল,মাদরাসা,ভােকেশনাল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে দুপুরে সরকারি উদ্যোগে খাবার সরবরাহ করা।শূন্য পদের বিপরীতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের বদলীর ব্যবস্থা কার্যকর করা।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের শেষ আশ্রয়স্থল শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বাের্ডের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সৎ,যােগ্য ও শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্ত করা। স্কুল পর্যায়ে ন্যূনতম ডিগ্রী পাশ ও কলেজ পর্যায়ে ন্যূনতম মাষ্টার্স পাশ স্বচ্ছ ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করা।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।