মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর-৩ আসনে একমাত্র আলেম প্রার্থী মাওলানা আহসান উল্লাহ মোমবাতি নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৪ পিএম
চাঁদপুর-৩ আসনে একমাত্র আলেম প্রার্থী মাওলানা আহসান উল্লাহ মোমবাতি নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হচ্ছেন সাতজন। এরমধ্যে নির্বাচনী মাঠে প্রচার প্রচারণায় সরব রয়েছেন পাঁচজন। বাকি দুইজনের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক মার্কার জাকির হোসেন ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. সেলিম আকবরের কোনো প্রচার প্রচারণা নেই।

এই সাতজন প্রার্থীর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে সনদপ্রাপ্ত একমাত্র আলেম প্রার্থী হচ্ছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত সমর্থিত ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মনোনীত প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ। তাঁর প্রতীক হচ্ছে মোমবাতি। তিনি প্রতিদিন ব্যাপক প্রচারণা করে যাচ্ছেন। গণসংযোগ হতে শুরু করে মাইকিং প্রচার চলছে প্রতিদিন। নির্বাচনী মাঠে তাঁর এই সরব প্রচার-প্রচারণা ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাদ্রাসা পড়ুয়া একজন আলেমে দ্বীন সকল শ্রেণির ভোটারের মাঝে প্রতিনিয়ত ছুটে যাচ্ছেন তাঁর মার্কা নিয়ে।

আহসান উল্লাহ শুধু নিজেই মাওলানা নন, তাঁর বাবাও ছিলেন একজন স্বনামধন্য আলেম। চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী বেগম জামে মসজিদের দীর্ঘ সময়ের ইমাম ও খতিব ছিলেন তাঁর বাবা মাওলানা রুহুল্লাহ (র.)।

মাওলানা আহসান উল্লাহ সাংবাদিকতায়ও বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় টিআইবি থেকে এওয়ার্ড পেয়েছে। চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০০১ সালে চাঁদপুর প্রবাহ দিয়ে তাঁর সাংবাদিকতা শুরু। ২০০৯ সাল থেকে চাঁদপুর কণ্ঠের সাথে আছেন, বর্তমানে এই পত্রিকার বার্তা সম্পাদক।

Model Hospital

মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ তাঁর ব্যাপক প্রচারণা ও গণসংযোগে ভোটারদের দৃষ্টি কেড়েছেন। প্রতিদিন তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সরলতা, সদাচরণ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার বার্তা সাধারণ মানুষের মনে ইতোমধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে ভোটারদের অভিমত। যে কোনো মানুষকে তিনি জড়িয়ে ধরেন, করমর্দন করেন, হাসিমুখে কথা বলেন।

বিশেষ করে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মতাদর্শ তথা সুফি দর্শনের বাণীগুলো তিনি মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোত্র নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষকে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন সমাজ কায়েমে সুফিবাদের দর্শন এবং শিক্ষা বাস্তবায়নে তিনি তাঁর অঙ্গীকার জনগণের মাঝে তুলে ধরছেন। তিনি আশাবাদী শান্তিপ্রিয় জনগণ তাঁকে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিয়ে তাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন।

চাঁদপুর-৩ আসনে যে সাতজন প্রার্থী রয়েছেন তারা হলেন— শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক (বিএনপি- ধানের শীষ), মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ (ইসলামী ফ্রন্ট- মোমবাতি) অ্যাড. মো. শাহজাহান মিয়া (জামায়াতে ইসলাম- দাঁড়িপাল্লা), শেখ মো. জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি- কাস্তে), অ্যাড. সেলিম আকবর (গণফোরাম- উদীয়মান সূর্য) ও মো. জাকির হোসেন (গণঅধিকার পরিষদ- ট্রাক)।
মাওলানা আহসান উল্লাহ বলেন, আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইসলামের সুমহান আদর্শ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের দর্শন, ন্যায়নীতি, সততা ও ইসলামী মূল্যবোধের কথা তুলে ধরছি। জনগণ যদি আমাকে সুযোগ দেয়, চাঁদপুর হাইমচরকে আমি সারাদেশের মধ্যে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, আলেম প্রার্থী হিসেবে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ব্যতিক্রমী অবস্থান তৈরি করেছেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলছেন।

শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ইউএনওর অভিযান: চিকিৎসককে লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধ দুই প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা!

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির এক প্র্যাকটিশনারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় অপর একটি মেডিকেল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতির একজন প্র্যাকটিশনারকে মূলধারার চিকিৎসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলার দোয়াভাঙ্গায় অবস্থিত অ্যাপোলো মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Model Hospital

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।