চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে ২ হাজার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের উদ্যোগে দুই হাজার বৃক্ষরোপন কার্যক্রম উদ্বোধন হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে জেলা পরিষদ সংলগ্ন চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপন উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

তিনি বক্তব্যে বলেন, সরকারে বৃক্ষরোপনের যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হবে। সরকারি দপ্তরগুলো উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এগুলো রক্ষণা বেক্ষণ সংশ্লিষ্ট দপ্তর তদারকি করবেন। কোন যানবাহনের কারণে যদি গাছের ক্ষতি হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকা সদর ও হাইমচরে দুই লাখ গাছের চারা বিতরণ করা হবে। সাধারণ মানুষ সহ এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে। আর গাছগুলো বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমাদের সকলের দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিশেষ করে তরুন সমাজ ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাঃ ইউনুস আলী, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী, জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান আকাশ, সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহীনুর রহমান, এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রমিজ উদ্দিন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাঃ ইউনুস আলী জানান, সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের আওতাধীন সড়কগুলোতে ১৬০ দিনের মধ্যে ২ হাজার বৃক্ষরোপন করা হবে। আজকের বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। তিনি আরও বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়—গাছগুলো যাতে সঠিকভাবে বেড়ে ওঠে সেজন্য নিয়মিত পরিচর্যা, পানি সরবরাহ, বাঁশের খুঁটি দিয়ে সুরক্ষা এবং আগাছা পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি গাছের দেখভালের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী নির্ধারণ করা হবে এবং স্থানীয় জনগণকেও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হবে।ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্তকরণ বা উন্নয়ন কাজের সময় যাতে বৃক্ষের ক্ষতি না হয় সে বিষয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। কোনো কারণে গাছ নষ্ট হলে পুনরায় সেখানে চারা রোপণ করা হবে। তিনি সকলকে এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচিকে সফল করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান।





