বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

হাজীগঞ্জের সন্তান ড. নুসরাত তাবাসসুম স্মিতা যুক্তরাষ্ট্রের LSU-তে সহকারী অধ্যাপক

মেহেদি হাসান রিমেল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ এম
হাজীগঞ্জের সন্তান ড. নুসরাত তাবাসসুম স্মিতা যুক্তরাষ্ট্রের LSU-তে সহকারী অধ্যাপক

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি (LSU)-এর আর্কিটেকচার বিভাগে টেনিউর-ট্র্যাক সহকারী অধ্যাপক (Tenure-track Assistant Professor of Architecture) হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের মেয়ে ড. নুসরাত তাবাসসুম স্মিতা। গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাটন রুজ (Baton Rouge) ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।

ড. নুসরাত তাবাসসুম স্মিতা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিলওয়াই হাজী বাড়ির সন্তান। তিনি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ও শামসুন্নাহার হেলেন দম্পতির কন্যা।

হাজীগঞ্জের এই কৃতী সন্তান পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি (Penn State University) থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণা শেষে আগস্ট ২০২৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

এর আগে, ২০১৮ সালে স্পেনের বার্সেলোনার Institute for Advanced Architecture of Catalonia (IAAC) থেকে ‘অ্যাডভান্সড আর্কিটেকচার’-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন তিনি।

Model Hospital

এছাড়া আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST) থেকে স্থাপত্যবিদ্যায় ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন ড. স্মিতা।

নতুন কর্মজীবন প্রসঙ্গে ড. নুসরাত তাবাসসুম স্মিতা বলেন, “এটি এমন একটি লক্ষ্য ছিল, যার জন্য আমি বহু বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে এই নতুন যাত্রা শুরু করতে পেরে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”

তিনি জানান, নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পাঠদান, নিজস্ব গবেষণা এবং শেখার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য তিনি উদগ্রীব।

নিজের এই সাফল্যের পেছনে পরিবার, শিক্ষক, মেন্টর ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ড. স্মিতা। একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

হাজীগঞ্জের বিলওয়াই হাজী বাড়ির এই কৃতী সন্তানের যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, পুনরায় লেনদেন শুরু ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখায়

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, পুনরায় লেনদেন শুরু ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখায়

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুনরায় লেনদেন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি চাঁদপুর ব্রাঞ্চে আগত গ্রাহকদের ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন ম্যানেজার জাফর ইকবাল।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুনরায় লেনদেন কার্যক্রম শুরু করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। দীর্ঘ সময় ধরে মুনাফার অর্থ উত্তোলনসহ ব্যাংকিং লেনদেন নিয়ে ভোগান্তিতে থাকা গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া নতুন আশার সঞ্চার করেছে। লেনদেন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে ফিরে আসছে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ।

এরই ধারাবাহিকতায় ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চাঁদপুর শাখায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আগত গ্রাহকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন চাঁদপুর শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাফর ইকবাল। দীর্ঘদিন পর ব্যাংকে এসে পুনরায় লেনদেনের সুযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মধ্যেও দেখা যায় স্বস্তি ও সন্তোষের অনুভূতি।

গ্রাহকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের মুনাফা পাওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা উত্তোলন ও লেনদেন করতে না পারায় তাঁরা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এ সময় অনেক গ্রাহককে তাঁদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। তবে পুনরায় লেনদেন শুরু হওয়ায় তাঁরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এখন থেকে তাঁরা ব্যাংকের মাধ্যমে তাঁদের জমাকৃত অর্থের মুনাফা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় টাকা লেনদেন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

তারা আরও জানান, ব্যাংকের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া তাঁদের জন্য স্বস্তিদায়ক সংবাদ। তাঁরা চান, ব্যাংকের সব ধরনের সেবা দ্রুত স্বাভাবিক হোক এবং গ্রাহকরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাঁদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন। একই সঙ্গে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের আস্থা ও বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে বলেও তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

Model Hospital

এ বিষয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁদপুর শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাফর ইকবাল গ্রাহকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমি আমাদের ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান মহোদয়, পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

আমরা চাই, গ্রাহকরা আবারও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন। তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকে টাকা জমা রাখুন, টাকা উত্তোলন করুন এবং নিয়মিত লেনদেনের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করুন। গ্রাহকরাই আমাদের ব্যাংকের মূল শক্তি। তাঁদের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং মানসম্মত সেবা প্রদান করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আশা করি, গ্রাহকরা ন্যাশনাল ব্যাংকের পাশে থাকবেন এবং ব্যাংকের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গ্রাহকরা যাতে তাঁদের প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, সে বিষয়ে শাখা কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করতে করছে। চাঁদপুর শাখায় গ্রাহকদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করার মধ্য দিয়ে ব্যাংক ও গ্রাহকদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, ন্যাশনাল ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এখন গ্রাহকদের প্রত্যাশা, ব্যাংকের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং তাঁরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা জমা, উত্তোলন ও অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকেরা আবারও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যাংকটির সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লেনদেন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত থাকলে তা গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকটির প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।