বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় ভারতে নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৩ এম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় ভারতে নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

বুশরা বানু। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য উৎসাহ দেওয়ায় বদলি করা হয়েছে নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানুকে। পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এই শাস্তির মুখে পড়তে হয়।

ঘটনাটি শুরু হয় যখন বুশরা বানু এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে তিনি জানান, পিএইচডি শেষ করে এবং সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফেরার পর আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে দারুণভাবে সাহায্য করেছিল। বই ও মক টেস্টের মতো নানা সুবিধার কথা বলে তিনি অন্য শিক্ষার্থীদেরও সেই একাডেমি থেকে সাহায্য নিতে বলেন।

কিন্তু ভিডিওর শুরুতেই তিনি ইসলামিক অভিবাদন ব্যবহার করায় আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামের একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ করে জানায়, ভিডিওতে জাতীয় স্লোগানের বদলে ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘ইনশাআল্লাহ’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি পদে থাকা কারও জনসমক্ষে নিরপেক্ষ থাকা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এই বদলির পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। একদল মানুষ ওই কর্মকর্তার সম্ভাষণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, অন্য একটি বড় পক্ষ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন।

Model Hospital

অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, অন্যান্য ধর্মের কর্মকর্তারা নানা স্লোগান বা আচার ব্যবহার করলেও কোনো সমস্যা হয় না, তবে একজন মুসলিম কর্মকর্তার বলা শান্তির বার্তা নিয়ে কেন এত আপত্তি উঠবে? বৈচিত্র্যময় এই দেশটিতে এই ধরনের সহাবস্থানই দেশের আসল শক্তি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকেরা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।