বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২, ৫:৫০ পিএম
শাহমাহমুদপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিমলেরগাঁও এ বিবাদমান জমির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিমলেরগাঁও বৈদ্য বাড়ির মৃত অলি উল্যা বৈদ্যের একমাত্র বোন আয়াতুন্নেছা বেগম বিভিন্ন অংশে ৫৮ শতাংশ জমি পৈত্রিক সম্পত্তি মূলে ওয়ারিশ পান। উক্ত সম্পত্তির মধ্যে আয়াতুন্নেছা জীবিত থাকাবস্থায় পাওয়ার মূলে তার নাতি চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী গ্রামের মৃত সাখাওয়াত হোসেন মিজি ৫৩ শতাংশ জমি তার একমাত্র ভাই অলি উল্যাহ বৈদ্যের কাছে বিক্রি করে দেন। বাকী ৫ শতাংশ জমি মাসুদ মিজির শ্যালক মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৬নং উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের পিংড়া গ্রামের মোঃ দলিল উদ্দিন কাজীর ছেলে মোঃ জামাল কাজীর কাছে বিক্রি করেন। ক্রয় সূত্রে মোঃ জামাল কাজী উক্ত ৫ শতাংশ জমি সড়কের পাশ জুড়ে দখল করতে আসলে মৃত অলি উল্যাহ বৈদ্যের ছেলে দেলোয়ার হোসেন বৈদ্যসহ অন্যান্যরা বাঁধা দেন। এবং আদালতে মামলা করলে চাঁদপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার ও সদর মডেল থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
উভয় পক্ষকে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতের গত ৮ জুন তারিখে ১৮৫৬ (৪) নং স্মারকাদেশ মতে বিমলেরগাঁও মৌজার ৬৪নং জে.এল, ৬নং খতিয়ান, ৩০৬ নং দাগে ০.০৮৭৬ নালিশীয় ভূমি ১৯ জুন তারিখে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আর্য্যনন্দ তঞ্চঙ্গ্যা সরেজমিনে তদন্ত করার কথা থাকলেও তদন্তকালে নালিশীয় জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্রসহ উভয়পক্ষকে উপস্থিত থেকে তদন্তকাজে সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়। এবং চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ লোকমান হোসেনও আদালতের দরখাস্ত মামলা নং- ৬৭২/২২ এর আরজির বর্ণিত নালিশী ভূমিতে অস্থায়ী স্থিতাবস্থা সহ শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ দায়ের করেন। নোটিশ সূত্রে জানা যায়, উক্ত সম্পত্তির চৌহদ্দি- উত্তরে অলি উল্যাহ গং, দক্ষিণে আয়েশা বেগম, পূর্বে সরকারী রাস্তা ও পশ্চিমে জালাল বেপারী গং। অত্র চৌহদ্দির মধ্যে প্রার্থীপক্ষের নালিশী মোঃ. ০৮৭৬ একর ভরাট ভূমি অবস্থিত।
কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী রবিবার (১৯ জুন) উক্ত মামলার তদন্তে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আর্য্যনন্দ তঞ্চঙ্গ্যা আসার আগেই জামাল কাজী গংরা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড লাগাতে আসেন এবং বাদী দেলোয়ার হোসেন এর তৈরিকৃত ঘর দখল করার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে তৈরি হয় হট্টগোল।
এসময় এলাকাবাসীও উপস্থিত ছিলেন। অথচ তদন্ত শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন রকম ঝামেলা করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মোঃ লোকমান হোসেন বলেন, উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিজ নিজ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তবে আজকে যে ঝামেলা হয়েছে তা আমার জানা নেই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital