বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইকোর্টে রীটপিটিশন স্থিতাবস্থা থাকার পরেও সংখ্যালঘুর ঘর উচ্ছেদের অভিযোগ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২, ৪:৩৪ পিএম
হাইকোর্টে রীটপিটিশন স্থিতাবস্থা থাকার পরেও সংখ্যালঘুর ঘর উচ্ছেদের অভিযোগ!
স্টাফ রিপোর্টার : হাইকোর্টে রীটপিটিশন স্থিতাবস্থা থাকা সত্ত্বেও চাঁদপুরে সংখ্যালঘুর ঘর উচ্ছেদের অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী। তিনি এর সুষ্ঠু সমাধান পেতে সাবেক জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের কাছে ডজনখানেক বার তার গণশুনানীতে অংশ নিয়ে অভিযোগের তীর ছুঁড়ে দিয়েছেন।
ঘটনাটি চাঁদপুর সদরের শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের লোদেরগাঁও গ্রামের মহামায়া বাজার সংলগ্ন দত্ত বাড়ির অমৃত লাল দত্তের(৮৮) সাথে ঘটেছে বলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
জানা যায়, ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সরকারি লিজের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ৬ জন লীজগ্রহীতাকে সম্পত্তি বুজিয়ে দেন চাঁদপুর সদরের এসিল্যান্ড মোঃ হেলাল উদ্দীন। আর এই উচ্ছেদের সময়ই স্থানীয় অমৃত লাল দত্তের ব্যাক্তি মালিকানাধীন প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ জায়গার বাড়ীঘরও উচ্ছেদ করা হয়েছে মর্মে সাবেক জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নিকট ডজনখানেক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
২১ জুন মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে অমৃত লাল দত্তের টিনের ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র গচ্ছিত রাখতে দেখা যায়।
এ সময় বিভিন্ন কাগজ পত্র দেখিয়ে অমৃত লাল দত্ত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ১৯০ নং আর এস খতিয়ানে এক একর ১৫ শতক ভূমির অন্দরে ৬৮৯ নং দাগে ৮ শতাংশ ৩৮ পয়েন্ট ভূমির উপর একটি পুরাতন ঘর বিদ্যমান ছিল। পরে বিগত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে হাইকোর্টে রিট পিটিশন ( ৮১৫৮/২১) করা হয় এবং সরকারের উপর স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়। এরপরও ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে কোন নোটিশ ছাড়াই আমার বাসস্থানসহ মালামাল উচ্ছেদ করা হয়। এতে আমার প্রায় ১২ লক্ষ টাকার মালামালের ক্ষতি হয়।
অমৃত লাল দত্ত গণমাধ্যমকর্মীদের আরও বলেন, এটি মানহানীকর ঘটনা উল্লেখ করে আমি এর সুষ্ঠু সমাধান পেতে নিয়মিতভাবে সাবেক জেলা প্রশাসকে অঞ্জনা খান মজলিশের সাথে যোগাযোগ করি। এমনকি তার গণশুনানিতে ডজন খানেক বার অংশও নিয়েছিলাম। পরে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যে একপর্যায়ে তিনি বদলি হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। তাই বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান পেতে আমি বর্তমান জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সাংসদসহ সর্বপোরি প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital