বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে দুই মেয়েকে বিক্রি করে বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করলেন এক বাবা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২, ১:৫৮ পিএম
হাজীগঞ্জে দুই মেয়েকে বিক্রি করে বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করলেন এক বাবা!

সাইফুল ইসলাম সিফাত : দেড় বছরের ছোট মেয়ে রিয়াকে বিক্রি করলেন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে। তিন বছরের মেয়ে ইভাকে বিক্রি করে দিলেন ঋণের বোঝা মাথা থেকে নামাতে। চার/পাঁচ মাস আগেপওে দুই মেয়েকে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন এক বাবা। ওইসময় চট্টগ্রামে গার্মেন্টেসের চাকরীতে ছিলেন দুই মেয়ের মা জান্নাত বেগম। দুই সন্তানের কোন ছবি বা কাগজপত্রের চিহ্ন পর্যন্ত রাখেনি বাবা এমরান হোসেন।

ঘটনাটি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহরা গ্রামে। ওই গ্রামের মিজি বাড়ীর বিস্কুট বেকারী ব্যবসায়ী এমরান হোসেন দুই বিয়ে করেন। সে দ্বিতীয় স্ত্রীকে চট্টগ্রামে গার্মেন্টেসে চাকরীর জন্য পাঠিয়ে কৌশলে সন্তানদের বিক্রি করে দেন। তবে এখন সন্তানদের ফেরত চান বাবা এমরান হোসেন।

দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, স্বামী এমরান হোসেন তার প্রথম স্ত্রী ইয়াছমিনের কাছে দুই মেয়েকে নিয়ে রাখে। ওইস্থান থেকে কৌশলে মেয়েদের বিক্রি করে দেয়। গত দেড় বছর ধরে বিভিন্ন অযুহাত দিয়ে সন্তানদের ফিরে আনবে বলে সময় পার করে আসছে স্বামী। তার সন্তানদের ফিরত চান জান্নাত বেগম।

জানতে চাইলে এমরান হোসেন বলেন, ছোট মেয়ে রিয়াকে ফরিদগঞ্জ উপজেলার কলাবাগানে বিক্রি করেন। ওই বিক্রিতে সহযোগিতা করেন প্রতাপপুরের পল্লী চিকিৎসক আমেনা বেগম। আর ইভাকে বিক্রি করা হয় চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া পাকিস্তান বাজার এলাকায়। তাকে বিক্রিতে সহযোগিতা করেন নাটেহরা গ্রামের কামরুল ইসলাম। তার বোনের আত্মীয়রা ওই সন্তানকে নিয়েছেন।

Model Hospital

প্রথম স্ত্রী ইয়াছমিন বলেন, দুই মেয়েকে বিক্রি করেছে জেনেছি। কিন্তু কোথায় বিক্রি করা হয়েছে তা জানেন না তিনি।

রিয়া ও ইভা দুই বোন। তাদের মা জানে না তারা এখন কোথায়। সন্তান জন্ম দেয়ার পর কিছুদিন লালন পালন করলেও তাদের একটি ছবি বা কোন স্মৃতিটুকুও নেই তার কাছে। হয়তো তারা যেখানে বিক্রি হয়েছেন, সেখানে ভালো আছেন। অথচ তাদের জন্মধারিণী মা কে ? তা জানার সৌভাগ্য টুকুও হলো না। বাবার অভাবের অর্থের যোগানদাতা হয়েছে কিন্তু বন্ধন ছিন্ন করে?

রিয়া ও ইভা কি ফিরবে তাদের মা জান্নাতের কোলে ? সে প্রশ্ন স্থানীয়দের।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital