শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে গৃহহীনদের মাঝে গৃহ হস্তান্তর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২, ৩:৫১ পিএম
চাঁদপুরে গৃহহীনদের মাঝে গৃহ হস্তান্তর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহহীনদের ভূমি ও গৃহ প্রদান একটি মহৎ উদ্যোগ; চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে চাঁদপুরে কেউ গৃহহীন থাকবে না। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের নির্দেশনা বাস্তবায়ণে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার জমিসহ একক গৃহ হস্তান্তর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস ব্রিফিং কালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, মুজিববর্ষে “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান চলমান রয়েছে। মুজিববর্ষে উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারবে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের ৩য় পর্যায়ের (২য় ধাপ) শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে চাঁদপুর জেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দের সাথে আজ প্রেস বিফ্রিং ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামি ২১ জুলাই ২০২২ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশের ৩য় পর্যায়ের ২য় ধাপে প্রায় ২৬,৩৯০ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন। ১ম পর্যায়ে প্রায় ৬৬,১৮৯ জনকে, ২য় পর্যায়ে প্রায় ৫৩,৩৪০ জনকে ও ৩য় পর্যায়ের ১ম ধাপে প্রায় ৩৩,০০০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়েছে।

Model Hospital

এসময় তিনি আরো বলেন, চাঁদপুর জেলায় “ক’ শ্রেণির গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার এর সংখ্যা ১৬০৬ টি। ১ম পর্যায়ে গৃহের মাধ্যমে ১৩৫টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে এ জেলায় একক গৃহের মাধ্যমে ১০৯টি পরিবারকে অর্থাৎ ২টি পর্যায়ে সর্বমোট ২৪৪টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ৩য় পর্যায়ে ২২৩টি একক গৃহ প্রদানের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তন্মধ্যে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩য় পর্যায়ের ১ম ধাপে একক গৃহের মাধ্যমে ৫১টি, আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ৬২৯টি অর্থাৎ মোট ৬৮০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। বাকি ৭২টি গৃহের মধ্যে আগামী ২১জুলাই ২০২২ তারিখে ৩য় পর্যায়ের ২য় ধাপে ৬৫টি পরিবারকে [যথাক্রমে হাজীগঞ্জে ২৯টি, শাহরাস্তিতে ২১টি, ও মতলব দক্ষিণে ১৫টি ]এবং অবশিষ্ট ৭টি পরিবারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গৃহ হস্তান্তর করা হবে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ৭টি গৃহ নির্মানের জন্য খাস জমিতে মাটি ভরাট করা হয়েছে। ভালোবাসে মাটির কম্প্যাকশন না হওয়ায় কাজ শুরু করা হয়নি। এসকল পরিবারকে এক টাকা সেলামীতে দুই শতক জমি বন্দোবন্ত প্রদান করা হয়েছে। উক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে কবুলিয়ত রেজিস্ট্রেশন, নামজারী ও খতিয়ান প্রদান বাবদ ১১৭০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এতে নাম জারীর জন্যও তাদের কোন টাকা ব্যয় করতে হয়না। প্রতিটি একক গৃহের আয়তন ৩৯৫ বর্গফুট। দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহে একটি টয়লেট, একটি রান্নার কক্ষ ও একটি ইউটিলিটি স্পেস রয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, মূলত চাঁদপুর জেলার খাস জমি উদ্ধার করে এই পুনর্বাসন করা হচ্ছে। নিস্কন্টক খাস জমি না পাওয়া গেলে অবশিষ্ট “ক’ শ্রেণির পরিবরকে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসনের জন্য সময়বদ্ধ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পুনর্বাসনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরকে জায়গা নির্বাচন, মাটি ভরাটসহ প্রস্তুতি গ্রহনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ পর্যায়ে হাজীগঞ্জে ১৪টি ও শাহরাস্তিতে ২১টি অর্থাৎ মোট ৩৫টি পরিবারকে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে এবং খাস জমিতে হাজীগঞ্জে ১৫টি ও মতলব দক্ষিণে ১৫টি অর্থাৎ ৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, চাঁদপুর জেলায় ১৬০৬টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৭৫৫টি পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পে এবং আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ম, ২য়, ও ৩য় পর্যায়ে ৩৬৭টি পরিবারকে ইতোমধ্যে পুনর্বাসন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ভূমহীন ৪৮৪টি পরিবারের মধ্যে ১৭৯টি পরিবারকে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হবে।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীর পরিচালনায় প্রেস ব্রিফিং আরো বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শহীদ পাটোয়ারী, সাবেক সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর প্রতিদিেিনর সম্পাদক ও প্রকাশক ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী (ভারপ্রাপ্ত)ও চ্যানেল ২৪ এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি আল-ইমরান শোভন, দৈনিক সংবাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুর রহমান, দৈনিক একাত্তর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক জিয়াউর রহমান বেলাল, চাঁদপুর জেলা ফটোজার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি এম এ লতিফ, সাধারণ সম্পাদক কে এম মাসুদ, এখন টিভির চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি তালহা জুবায়ের, দৈনিক সংবাদ পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি অমরেশ দত্ত জয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রাশেদা আক্তার ,সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আহমেদ,দৈনিক প্রিয় চাঁদপুরের সম্পাদক বোরহান উদ্দিন ডালিম, এস এ টিভির চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম আতিক, দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আহম্মদ উল্যাহ, দৈনিক চাঁদপুর বার্তার বিশেষ প্রতিনিধি শাহরয়িার পলাশ, মেঘনা বার্তার সম্পাদক আনোয়ারুল হক,দৈনিক চাঁদপুর দর্পণের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সুজন আহমেদ,দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রির্পোটার মো: রানা সরকারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ প্রমুখ।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’