শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তির মানুষ শান্তি প্রিয়, জেলাজুড়ে সুনাম রয়েছে; জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২, ৫:০২ পিএম
শাহরাস্তির মানুষ শান্তি প্রিয়, জেলাজুড়ে সুনাম রয়েছে; জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

নোমান হোসেন আখন্দ : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসান শাহরাস্তি উপজেলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন।

২৫ জুলাই সোমবার দুপুর দেড়টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসান বলেন, চাঁদপুর জেলায় দুজন সেক্টর কমান্ডার জন্মগ্রহন করেছেন, তাদের মধ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টর কমান্ডার, জীবন্তকিংবদন্তী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী , মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এ অঞ্চলে জন্মগ্রহন করেছেন যাহা শাহরাস্তি তথা চাঁদপুর জেলাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি শাসন নয়, আপনাদের সেবা করার জন্য এ জেলায় এসেছি। আপনারা যেন সুখে শান্তিতে সুন্দরভাবে বসবাস করতে পারেন সেজন্য সবার সহযোগিতা নিয়ে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাব। আপনাদের বক্তব্য শুনে ভালো লাগলো, শাহরাস্তিতে বড় কোন সমস্যা নেই। শাহরাস্তির মানুষ শান্তিপ্রিয়, জেলা জুড়ে তাদের সুনাম রয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে যে ১০ টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তার বাস্তবায়নে আমরা বিশ্বের বুকে উন্নত সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানী সংকট চলছে, সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে লোডশেডিং এর মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমি আমার অফিসে এসি ও অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিয়েছি। আপনারা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে মিতব্যায়ী হউন, জনগনকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে মিতব্যয়ী হতে উদ্বুদ্ধ করুন।  সামনে বিদ্যুৎ সংকট বাড়তে পারে এখন থেকে আমাদেরকে মানসিকভাবে তার প্রস্ততি নিতে হবে।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন রশিদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মাকসুদ আলমের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী শেপালী, পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমজাদ হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান বিএসসি, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সূচীপাড়া উওর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদার, শাহরাস্তি প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবির, টামটা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক দর্জি, মেহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজ্ঞিত চন্দ্র সরকার, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিখিল মজুমদার প্রমুখ।

সভায় নবাগত জেলা প্রশাসক শাহরাস্তি উপজেলায় প্রথম আগমন উপলক্ষে ইউপি চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
এছাড়া ও জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান শাহরাস্তি পৌর ভূমি অফিস ও মেহার উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital