সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

বাবুরহাটে যুবধারা সমবায় সমিতির গ্রাহকদের মাঝে ১ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার চেক বিতরন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২, ২:২৫ পিএম
বাবুরহাটে যুবধারা সমবায় সমিতির গ্রাহকদের মাঝে ১ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার চেক বিতরন
গাজী মোঃ মহসিন : যুবধারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের বাবুরহাট শাখার আমানত গ্রাহকদের মাঝে মূলধন ও লভ্যাংশ সহ এক কোটি ৬২ লক্ষ টাকার চেক বিতরন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
গত ৯ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় যুবধারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের বাবুরহাট শাখার পিছনের মাঠে ২২০ জন গ্রাহকের মাঝে চেক বিতরন ও অনুষ্ঠানে অতিথিদেরকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
চেক বিতরনের শুরুতেই সকল আমানত ও সঞ্চয়ী গ্রাহকদের উদ্দেশ্য সমবায় সমিতির প্রয়োজনীতা ও সঞ্চয়ে প্রতি উদ্ধুদ্ধকরন বিশেষ বক্তব্য রাখেন সমবায় সমিতির ব্যবস্থপনা পরিচালক মোঃ জুলহাস মিয়া। তিনি বক্তব্য সকল গ্রাহকদের কে বলেন নির্ভয়ে বিশ্বশ্ততার সহিত আপনার আপনাদের সঞ্চয় ও ডি.পি.এস এবং এফ.ডি. এফ আমানত হিসেব রাখতে পারেন।
চেক বিতরন অনুষ্ঠানে যুবধার শাখার সভাপতি খোরশেদ আলম দুলাল মাস্টারের সভাপতিত্বে ও যুবধারার ইনচার্জ শাহ পরান মজুমদারের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন যুবধারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক ও সাবেক বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান এম এ নাফের শাহ।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সরোয়ার মাস্টার, মোস্তাফা কামাল, রনি তালুকদার, রাসেল খান পায়েল, খোকন পাটওয়ারী, ওজিউল্লাহ মিয়া, সুমন পাটওয়ারী, স্বপন পাটওয়ারী সহ কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত পাঠ করেন যুবধারর সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ ইব্রাহিম শেখ।
উল্লেখ্য গত সপ্তাহে হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাও শাখায় ৪৪৪ জন আমানত গ্রাহকদের হাতে তাদের আমানতের প্রায় আড়াই কোটি টাকা হস্তান্তর করেন।

চাঁদপুরে আটক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ এম
চাঁদপুরে আটক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা তামজিদ মৃধা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। এঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের আশ্বিনপুর মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছাড়িয়ে নেওয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ওই নেতার নাম তামজিদ হাসান মৃধা (৩২)। তিনি মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। তামজিদ মৃধা ওই ইউনিয়নের আশ্বিনপুর গ্রামের মৃত আবদুল আউয়াল বাচ্চু মৃধার ছেলে। তার দুই ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জরিত। এক ভাই তোফায়েল মৃধা উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং আরেক ভাই আলম মৃধা ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক।
তামজিদ মৃধার বিরুদ্ধে মতলব দক্ষিণ থানায় ২০২৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের আশ্বিনপুর মাদ্রাসার সামনে থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি তামজিদ হাসান মৃধাকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং আটক তামজিদ মৃধার বড় ভাই তোফায়েল মৃধা, আরেক ভাই ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক আলম মৃধাসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশকে চাপ দিয়ে আটক ছাত্রলীগ সভাপতিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিএনপির নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী জানান, আটক তামজিদ মৃধার কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হলেও সবকিছু জেনে শুনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাঁকে ছাড়িয়ে নেন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ। এর ফলে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই বিএনপি নেতা সরকারি গাছ বিক্রি, সরকারি চাল আত্মসাৎসহ নানা ধরনের অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত করে অবিলম্বে আবুল কালাম আজাদসহ তার সহযোগীদের দল থেকে বহিষ্কারের জোর দাবি জানান তারা।
​ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব দক্ষিণ থানা এসআই দেলোয়ার হোসেন জানায়, অভিযান চালানোর সময় তানজিদ মৃধাকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এসে তাঁকে নিয়ে যান। তবে তাৎক্ষণিক তামজিদ মৃধা যে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আমরা তা শনাক্ত করতে পারেনি। পরে বিষয়টি জানা গেছে সে ছাত্রলীগ নেতা।
​অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, তামজিদ মৃধাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সময় আমি ছিলাম না। তার ভাই তোফায়েল মৃধা ও আলম মৃধা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। আমি পরে গিয়ে জানতে পেরেছি পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে।