শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট; ভোটার ১২৬০, ৮ কেন্দ্রে বুথ ১৬টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১:৫২ এম
চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট; ভোটার ১২৬০, ৮ কেন্দ্রে বুথ ১৬টি

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইভিএম এর মাধ্যমে প্রথম চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২২। এর পূর্বে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইতোমধ্যে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ১৫ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৫ জনসহ মোট ২১ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এ বছর চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জনসহ মোট ১২ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন বলে জানান জেলা নির্বাচন অফিস।

চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯৭৪ জন ও নারী ২৯৯ জন ভোটার। চাঁদপুর সদরে মোট ভোটার ২০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫৮ ও মহিলা ৪৮ জন। হাইমচরে মোট ভোটার ৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬১ও মহিলা ১৯জন। ফরিদগঞ্জে মোট ভোটার ২১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৬২ ও মহিলা ৪৯ জন। মতলব দক্ষিন মোট ভোটার ৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭২ ও মহিলা ২২ জন। মতলব উত্তর মোট ভোটার ১৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪১ ও মহিলা ৪৩ জন। কচুয়া মোট ভোটার ১৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩১ ও মহিলা ৪১ জন। হাজীগঞ্জে মোট ভোটার ১৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩৫ ও মহিলা ৪১ জন। শাহরাস্তি মোট ভোটার ১৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১১৪ ও মহিলা ৩৬ জন। এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ ছাড়া ৮ জন সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচিত হবেন, যা পূর্বে ছিল ১৫ জন। আর সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে নির্বাচিত হবেন ৩ জন, যা পূর্বে ছিল ৫জন। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য (ওয়ার্ড-১) চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ, (ওয়ার্ড-২) মতলব দক্ষিন, মতলব উত্তর ও কচুয়া এবং (ওয়ার্ড-৩) হাজীগঞ্জ ও শাহারাস্তি। নির্বাচনে সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ায় সাধারণ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ দিতে হবে।

জেলার ৮ কেন্দ্রের মোট ১৬ টি বুথে ভোট প্রদান কার্যক্রম চলবে। এই নির্বাচন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

Model Hospital

চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ জানান, এই প্রথম চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইবিএমের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষনার পর থেকেই নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।
তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনী সকল কার্যক্রম সময় মতো সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২-২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ২৫ সেপ্টেম্বর, প্রতিক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর, ভোট গ্রহণ ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে রিটানিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রশাসক। সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital