সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ইলিশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে; ডিসি কামরুল হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২, ১২:৫৩ পিএম
চাঁদপুরে ইলিশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে; ডিসি কামরুল হাসান
সজীব খান : মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ (৭ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর) সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাঁদপুরে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসক  কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় তিনি বলেন, চাঁদপুরে ইলিশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
অভাশ্রমের সময় প্রশাসনকে সঠিক তত্ত্ব দিতে হবে। যাতে করে ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে সত্যতা পায়। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সুষ্ঠ ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলেদের যে চাল আসছে, তা সঠিক সময়ে, সঠিক নিয়মে তাদের মাঝে বিতরন করতে হবে। প্রতিজন জেলেকে ২০ কেজি করে চাল দিতে হবে, একটা চাল ও তাদেরকে কম দেওয়া যাবেনা, জেলেদের তালিকার পরিপূর্ণ চাল আসছে, যানবাহনের খরচ ও দেওয়া হয়েছে। যারা চাল কম দিবেন, এধরনের সংবাদ আসলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিটি জেলে পল্লীতে যেতে হবে,তাদেরকে বুঝাতে হবে, জেলেদেরকে যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে জেলেরা অভাশ্রমের সময় বিভিন্ন কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন,জেলেদের তালিকা সঠিক ভাবে করতে হবে,  সকলে মিলে সমন্বয় করে সঠিক তথ্য দিয়ে জেলে তালিকা করতে হবে, যারা যারা মারা গেছে,যারা বিদেশ গেছে, যারা পেশা পরিবর্তন করছে তাদেরকে চিহৃত করে সঠিক ভাবে তালিকা বের করতে হবে। এ বারের অভিযান যাতে সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে আমাদের লক্ষ্যে রেখে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের সময় বহিরাগত জেলেরা মাছ স্বীকার করতে আসলে, সাথে সাথে প্রশাসনকে অবগত করতে হবে। তাদেরকে চিহৃত করতে হবে। অভিযানের সময় স্ব স্ব ডিপার্টমেন্ট তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে হবে। মৎস্য পল্লী, জেলে পল্লীতে বেশি বেশি প্রচার করতে হবে।
মা ইলিশ রক্ষা করতে হবে, নতুবা আমরা ইলিশ পাবোনা, ইলিশ আমাদের একটা জাতিয় সম্পদ, সমন্বয় করে ইলিশ রক্ষা করতে হবে।
জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মেহেদী হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ (পিপিএম বার), নৌ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিট) ইমতিয়াজ হোসেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারি দুলাল, হাইমচর উপজেলা ইউএনও ,চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, সদর এসিল্যান্ড মোহাম্মদ হেলাল চৌধুরী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের গিয়াস উদ্দিন মিলন, চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম, হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ, মতলব উত্তর মৎস্য কর্মকর্তা মনোয়ারা,মতলব দক্ষিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয়, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী হযরত আলী বেপারী, তরপুচন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী, হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার ঢ়ারী, ইব্রাহীমপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাশেম খান, কান্ট্রি ফিসিং বোর্ড মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লীক, চাঁদপুর কেন্দ্রীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি তসলিম বেপারী,মালেক দেওয়ানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, মৎস্য জীবি সমিতি নের্তৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ এম
চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে জমি-জমা সংক্রান্ত সালিশে জড়ানো এবং সালিশের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির অভিযোগে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তারিখের ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী ঢালী।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমি-জমা সংক্রান্ত দেনদরবার ও সালিশ বৈঠকে না জড়ানোর জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে সব নেতাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। স্বপন মাহমুদকেও আগে চিঠি ও মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বপন মাহমুদ ৪ অক্টোবর রাতে সালিশ বৈঠকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করেছেন।

Model Hospital

এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।