বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তি উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সভাপতি পিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ এম
শাহরাস্তি উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সভাপতি পিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের ৩২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

২৬ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সভাপতি এস এম সবুজ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সুমন গাজীর সম্মতিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত কমিটিতে আর কে পিন্টুকে সভাপতি এবং এস টি সুলতানকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সংগঠনটির চাঁদপুর জেলা শাখার আওতাধীন শাহরাস্তি উপজেলা ইউনিটের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

Model Hospital

কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্ব পাওয়া ৩০ সদস্যসহ মোট ৩২ জনকে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

জেলা শাখার পক্ষ থেকে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।