সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো শহর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০২২, ৩:৪৩ পিএম
চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো শহর

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : নির্বাচনকে ঘিরে প্রাচার প্রচারণায় এখন মুখর চাঁদপুর জেলা পরিষদ। আগামী ১৭ অক্টোবর এই নির্বাচন প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট হতে যাচ্ছে।

আর এ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রাস্তা-ঘাট, হাটবাজার ও অলিগলি নির্বাচনের প্রার্থীদের পোস্টার আর ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো জেলার ৮ টি উপ‌জেলা।

প্রার্থীদের চলছে উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা, ও গণসংযোগ। এ অবস্থায় সাধারণ ভোটাররা চান সব ধরনের সংঘাত এড়িয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে। এ নির্বাচনের ভোটের মাঠে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২ জন।
তারা হলেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা প্রশাসক আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটোয়ারী (মোবাইল ফোন) ও জাকির হোসেন প্রধানীয়া (আনারস) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়াও ৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যদের মোট ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

Model Hospital

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার সকল পর্যায়ের ১ হাজার ২শ’ ৬০জন জনপ্রতিনিধি এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে মোট ভোটার ১২৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯৭৪ জন ও নারী ২৯৯ জন। জেলার ৮ কেন্দ্রের মোট ১৬ টি বুথে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। পৌরসভার মেয়র, সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্যরা এ নির্বাচনের ভোটার।

এবারই সর্ব প্রথম ইভিএম-এ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।

সরেজমিন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর পরই আরও পুরোদমে শুরু করেছে প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারণা। জমজমাট হয়ে উঠছে এবারের নির্বাচনের মাঠ। আর এ নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যেও বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পাশাপাশি পিছিয়ে নেই সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থীরাও, তারাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

তাছাড়া, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়কে, মোড়ে, হাট-বাজারে প্রার্থীদের ছবি সম্বলিত পোস্টার, শোভা পাচ্ছে। টানানো হয়েছে ব্যানার।

কাঁক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটারদের দিয়ে যাচ্ছেন নানা রকমের প্রতিশ্রুতি। চায়ের স্টল থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় চলছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। তবে প্রার্থীরা যে যা-ই বলুক না কেন, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটাররা ভাবছেন উন্নয়নের কথা। জেলা সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন এবং নাগরিক সুবিধা যাদের কাছ থেকে পাবেন,এবারের নির্বাচনে এমন প্রার্থীকেই ভোট দেয়ার কথা ভাবছেন জন প্রতিনিধিরা।

ভোটাররা বলছেন, উন্নয়নে যিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবে এবং গরিব-দু:খী মানুষের পাশে থাকবে এবং সর্বদাই কাজেকর্মে পাশে পাবো তাকে আমরা ভোট দেয়ার কথা ভাবছি। এদিকে, ভোটারদের চাহিদা অনুযায়ী সকল পর্যায়ের ভোটারদের সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতির কথা দিয়ে ভোট চাচ্ছেন প্রার্থীরা।

চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ এম
চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে জমি-জমা সংক্রান্ত সালিশে জড়ানো এবং সালিশের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির অভিযোগে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তারিখের ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী ঢালী।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমি-জমা সংক্রান্ত দেনদরবার ও সালিশ বৈঠকে না জড়ানোর জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে সব নেতাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। স্বপন মাহমুদকেও আগে চিঠি ও মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বপন মাহমুদ ৪ অক্টোবর রাতে সালিশ বৈঠকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করেছেন।

Model Hospital

এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।