শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় কলেজে রূপান্তর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২২, ১০:১২ এম
চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় কলেজে রূপান্তর
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুর পৌরসভা পরিচালিত নতুন বাজার এলাকায় অবস্থিত পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত করা হয়েছে। আগামি বছর ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

চাঁদপুর পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মাধ্যমিক ও ৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মাধ্যমিক তথা হাইস্কুলগুলোর মধ্য রয়েছে। পৌর শহীদ জাবেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পীর মহসিন উদ্দিন পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও হাফেজ মাহমুদা পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কোড়ালিয়া পাটওয়ারী বাড়ি পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বিষ্ণুদী পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মমতাজ উদ্দিন পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আমিনুল হক পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে ১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা হয়। ৬৪ শাতাংশ এই জায়গা নিয়ে এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম চলছে। ছাত্র- ছাত্রীর সংখ্যা ৭৫০ জন।

Model Hospital

২৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার মাধ্যমে চলছে শ্রেণি কার্যক্রম। পাশের হার শতকরা ৯৯ ভাগ। চাঁদপুর পৌরসভা পরিচালিত পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নতুন ভাবে পথচল যুক্ত হলো এ বিদ্যালয়টি, যেটির এখন পরিবর্তিত নাম পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ। ১ম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত। আগামী বছর ২০২৩ সাল থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব।

প্রতিষ্ঠাকালে এ বিদ্যালয়টি টিনের ঘর থেকে ১তলা ভবন নির্মাণের পর বর্তমানে চার তলাবিশিষ্ট একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র এবং প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, পৌর শহীদ জাবেদ বিদ্যালয়কে কলেজে রূপান্তর করতে প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। আগামী বছর থেকেই কলেজ পর্যায়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালানো হবে। পৌরসভা পরিচালিত ৩টি বিদ্যালয়ের মধ্যে এটিই প্রথম উচ্চ বিদ্যালয় যেটিতে ১ম শ্রেণি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পড়ার সুযোগ তৈরি হলো।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, এখানে কলেজের জন্যে শ্রেণি কার্যক্রম চালাতে কোনো সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। যেহেতু ১ম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলবে, প্রয়োজনে শিফট করা হবে। পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ হিসেবে রূপান্তর হচ্ছে চাঁদপুরের কৃতি সন্তান, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি এবং আধুনিক ও নান্দনিক পৌরসভার স্বপ্নদ্রষ্টা মাননীয় মেয়র মহোদয়ের রাজনৈতিক সফলতা। পৌর এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার উন্নয়নেও সব রকম সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন, যাতে কোনো শিক্ষার্থী ঝড়ে না পরে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital