বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলবে জনপ্রিয় বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কেন খুন হলেন জানালেন সন্তানেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২, ২:০৬ পিএম
মতলবে জনপ্রিয় বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কেন খুন হলেন জানালেন সন্তানেরা

মনিরুল ইসলাম মনির : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সলিমুল্লাহ লাভলু (৫০) ১ নভেম্বর দিনগত রাতে খুন হয়েছেন। বুধবার (০২ নভেম্বর) সকালে ফতেহপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মান্দাতলী গ্রামের ইটের রাস্তার পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লাভলু মান্দারতলী গ্রামের আমির হোসেন মাস্টারের ছেলে। তিনি সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। বুধবার সকাল ভোরে ভ্যান চালক জাহাঙ্গীর আলম মান্দারতলী গ্রামের ভিতর দিয়ে হেরিংবোন্ড রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় লাশ দেখে ডাক চিৎকার দেন।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানান, লাশ দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে এসে সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরি ও মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির গায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে পুরো সত্যতা জানা যাবে।

মৃত্যুর পর নিহতের স্ত্রী শাহজাদী আক্তার নিন্নি’সহ আত্মীয় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এমন নির্মম মত্যুর কারণে নিহতের মেয়ে একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া লুবনা আক্তার ও ৯ম শ্রেণির ছাত্র লাবিব এতিম হয়ে গেল। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানায় নিহতের পরিবার।

তার মৃত্যুর খবর পেয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও এলাকার হাজার হাজার জনগণ দেখতে আসেন। তিনি ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিগত দিন যাবৎ। তার অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে।

Model Hospital

এদিকে নিহতের ছেলে লাবিব জানায়, ঘটনার আগের দিন মঙ্গলবার বিকালে স্কুল ছুটি হওয়ার পরে ওই গ্রামের শিপন তার পায়ে মোটর সাইকেল তুলে দেয়। এ নিয়ে তার সাথে তর্ক হয়। পরে লাভলু বিষয়টি জানার পর শিপনকে জিজ্ঞেস করলে বেশ তর্ক হয়। পরে শিপন (২১) ও তার দুই বন্ধু রাকিব (২২), তুহিন (২০) লাভলুর বাড়িতে এসে আজকেই খেলা দেখাবে বলে হুমকি দেয়। তাই এই ঘটনায় হুমকিদাতাদের সন্দেহ করেন নিহতের পরিবারবর্গ। তবে ঘটনার পর থেকে হুমকিদা ব্যক্তিরা পলাতম রয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তার স’মিলে মিস্ত্রি না থাকায় গত কয়েকদিন ধরে তার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে রাত্রিযাপন করেছেন। ঘটনার রাতেও তিনি ওখানে ঘুমিয়েছেন বলে ধারনা ছিল স্ত্রী সন্তানের। কিন্তু ভোর হতেই খবর পাওয়া গেল মৃত্যু সংবাদ।

ঘটনার পরে খবর পেয়ে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হোসেন (অপরাধ ও তদন্ত), সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ (কচুয়া সার্কেল), মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সানোয়ার হোসেন ও সিআইডি, পিবিআই সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মইনুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital