বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

মৈশাদীতে মাছ চাষী বিল্লাল গাজীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২, ১১:৩৪ এম
মৈশাদীতে মাছ চাষী বিল্লাল গাজীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলা মৈশাদী ইউনিয়নের মাছ চাষী বিল্লাল গাজী বারবার মিথ্যে মামলার হয়রানি শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । উদ্দেশ্য মূলক ভাবে বিল্লাল গাজীকে একটি কুচক্রী মহল মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করায় এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, মৈশাদী ইউনিয়ন এর ৫ নং ওয়ার্ডের পরিচিত মাছ চাষী বিল্লাল গাজীকে একই ওয়ার্ড মৃত তরিক উল্ল্যাহ পাটওয়ারীর ছেলে ইফতেখার উদ্দিন পাটওয়ারী (৫০) সাফায়েত উল্ল্যাহ পাটওয়ারী (স্বপন) ৬৫ তারা মিলে বিল্লাল গাজীকে উদ্দেশ্য মূলক ভাবে হয়রানি করার জন্য এক ডজনের মত মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। মিথ্যা মামলা প্রতিটি বিল্লাল গাজীর পক্ষে আসে বলে বিল্লাল গাজী জানিয়েছে।
বিল্লাল গাজীকে প্রায়ই সামাজিক এবং আর্থিকভাবে হয়রানি করার জন্য তারাই এ ধরনের মামলা করা অব্যাহত রেখেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
ইফতেখার উদ্দিন পাটওয়ারী( ৫০) সাফায়েত উল্ল্যাহ পাটওয়ারী ( স্বপন)  মামলাবাজ হিসেবে এলাকাতে পরিচিতি লাভ করেছে বলে অভিযোগ উঠছে।
বিল্লাল গাজী জানান, আমার বিভিন্ন মেয়াদে নেওয়া পুকুরের মাছ মারার পরেই ইফতেখার উদ্দিন পাটওয়ারী( ৫০) সাফায়েত উল্ল্যাহ পাটওয়ারী ( স্বপন) ৬৫ মিলে একেবারে ভিত্তিহীন ১১টি মিথ্যা দিয়ে আমাকে হয়রানি করেন। প্রতিটি মামলাই বিল্লাল গাজীর পক্ষে আসলে তারা উল্টোপথ অবলম্বন করে আমাকে হয়রানি করা অব্যাহত রেখেছে।
এ বিষয়ে  ইফতেখার উদ্দিন পাটওয়ারী সাফায়েত উল্ল্যাহ পাটওয়ারী (স্বপনের) বক্তব্য নিতে এলাকাই গিয়ে পাওয়া যায়নি।

হাজীগঞ্জে অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে অভিযান, বিকল ৩ ড্রেজার, ধ্বংস ১৫০ পাইপ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
হাজীগঞ্জে অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে অভিযান, বিকল ৩ ড্রেজার, ধ্বংস ১৫০ পাইপ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে কৃষিজমির উর্বর মাটি অবৈধভাবে কেটে বিভিন্ন জলাশয় ভরাটের কাজে ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার দুটি ইউনিয়নে দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ১৫০টি ড্রেজার পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল করে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ সহযোগিতায় অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকন।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার ২ নম্বর বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রাম এবং দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের চারিয়ানি গ্রামের তালুকদার বাড়ি ব্রিজের কাছে নাসিরকোট মৌজার বেতাগি বিলে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখা হয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

Model Hospital

অভিযান পরিচালনার সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দিনের বেলায় কৃষিজমির আশপাশে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ স্থাপন করে রাখা হয়। পরে রাতের বেলায় এসব যন্ত্র চালু করে পাইপের সাহায্যে জমির উপরিভাগের মাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এসব মাটি দিয়ে পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি অপসারণের কারণে আশপাশের জমিতে ভাঙন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি জমির স্বাভাবিক গঠন ও উর্বরতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে কৃষিজমির দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো অকেজো করার উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। অভিযানের অংশ হিসেবে দুটি পৃথক স্থানে থাকা প্রায় ১৫০টি ড্রেজার পাইপ সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়। পাশাপাশি তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল করে দেওয়া হয়, যাতে সেগুলো ব্যবহার করে পুনরায় মাটি কাটা ও পরিবহন করা না যায়।

ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে কৃষিজমির উর্বরতা রক্ষা এবং অবৈধভাবে টপসয়েল কাটা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।