রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মরা গরুর মাংস বিক্রি করতে গিয়ে ধরা খেল কসাই, তুলকালাম!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২, ২:৪১ পিএম
চাঁদপুরে মরা গরুর মাংস বিক্রি করতে গিয়ে ধরা খেল কসাই, তুলকালাম!
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থেকে মৃত গরুর গোস্ত বিক্রি করার জন্য আনলেন চাঁদপুর বিপনিবাগের ব্যবসায়ি আনোয়ার হোসেন আনু। কিন্তু শেষ রক্ষায় হয়নি, ধরা পড়তে হয়েছে তাকে।

ঘটনার বিবরনে জানাযায়, মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৬ টায় চাঁদপুর ডাকাতিয়া নদীর পাড় সংলগ্ন পৌর কসাই খানায় সখীপুর থেকে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার যোগে গরুর গোস্ত নিয়ে আসা হয়। এসময় ট্রলার থেকে গোস্ত নামানোর সময় দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন পৌর ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুহাম্মদ সোহেল রানাকে দেখতে পেয়ে বিষয়টি জানায়। পরে কাউন্সিলর সোহেল রানা সেখানে যায় এবং তার উপস্থিতি টের পেয়ে মূহুর্তেই গোস্ত গুলো রেখে ট্রলার চালক আলমগীর ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কাউন্সিলর সোহেল রানা কসাই খানার লোকজন নিয়ে গোস্ত গুলো মাটিতে পুতে পেলে।

এসময় সেখানেই নীরব দর্শকদের ভূমিকায় দাড়িয়ে ছিলেন চাঁদপুর বিপনিবাগের গোস্ত ব্যবসায়ি কসাই আনোয়ার হোসেন আনু।

এবিষয়ে ব্যবসায়ী আনু বলেন, এগুলো আমার গুস্ত না। এবিষয়ে ট্রলার চালক আলমগীর বলতে পারবে।

Model Hospital

ট্রলার চালক আলমগীর মুঠোফোনে জানান, ৭ নভেম্বর রাতে সখিপুরের গরুর ব্যবসায়ির ফার্মে আগুন লাগে। এসময় ৪ টি গরু মারাযায় ও কিছু গরুর অনেকাংশ পুড়ে যায়। সেই গরুর গোস্ত সাখিপুরের ওনারা নিছে আর বাকি ২৫০ কেজি বিপনিবাগের ব্যবসায়ি আনু অর্ডার দিয়েছে।

কাউন্সিলর সোহেল রানা বলেন, আমি সকালে ব্রিজের উপর হাটতে বেরিয়ে ছিলাম এসময় স্থানীয় লোকজন আমাকে বিষয়টি জানালে আমি তাৎক্ষণিক সেখানে যাই। আমি সেখানে পৌঁছার সাথে সাথে ট্রলার চালক ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় বিপনিবাগের গরুর গোস্ত ব্যবসায়ি আনুকে দেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমি কিছুই জানিনা। পরে সে সেখান থেকে কেটে পড়ে। পরে আমি কসাই খানার লোকজন নিয়ে গোস্ত গুলো মাটিতে পুতে ফেলি। পরে খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ এম
চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে জমি-জমা সংক্রান্ত সালিশে জড়ানো এবং সালিশের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির অভিযোগে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তারিখের ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী ঢালী।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমি-জমা সংক্রান্ত দেনদরবার ও সালিশ বৈঠকে না জড়ানোর জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে সব নেতাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। স্বপন মাহমুদকেও আগে চিঠি ও মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বপন মাহমুদ ৪ অক্টোবর রাতে সালিশ বৈঠকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করেছেন।

Model Hospital

এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।