মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ফাযিলে মেধা তালিকায় সারাদেশে ৭ম ফরিদগঞ্জের জাহিদুল 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২, ৪:১৮ পিএম
ফাযিলে মেধা তালিকায় সারাদেশে ৭ম ফরিদগঞ্জের জাহিদুল 
এস এম ইকবাল :সদ্য ঘোষিত ফাযিল (স্নাতক) পাস পরীক্ষা ২০২০-এর বৃত্তির ফলাফলে সারাদেশে ট্যালেন্টপুলে ৭ম স্থান অধিকার করেছেন ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান ধানুয়া ছালেহিয়া ফাযিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষিত ফাযিল পরীক্ষায় জাহিদুল ইসলাম গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
বর্তমানে তিনি ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসায় আল-হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনার্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষে এবং কামিলে তাফসির বিভাগে অধ্যয়ন করছেন।

জাহিদুল ইসলাম ধানুয়া ছালেহিয়া ফাযিল মাদ্রাসার প্রয়াত অধ্যক্ষ এবং জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাবেক সেক্রেটারি শরীফ মোঃ তাজাম্মল হোসেন মজুমদার রহ. এর তৃতীয় পুত্র এবং কবি ও সাংবাদিক কে এম নজরুল ইসলামের ছোটভাই। তিনি ইসলামী ছাত্রসেনা ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক, চান্দ্রা দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানে এশায়াতে সাইফিয়া কমিটির প্রচার সম্পাদক এবং ‘শহীদ লিয়াকত স্মৃতি সংসদ বৃত্তি পরীক্ষা’ ফরিদগঞ্জ জোনের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
এছাড়া তিনি অষ্টম শ্রেণীর (জেডিসি) পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস এবং দাখিল ও আলিম পরীক্ষায়ও কৃতিত্বের সহিত পাশ করেছেন। ফাযিলে এমন অভূতপূর্ব ফলাফলের জন্য জাহিদুল ইসলাম কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মহান স্রষ্টার প্রতি। তিনি ভবিষ্যতে বড় হয়ে ইলমে দ্বীনের পাশাপাশি কোরআন সুন্নাহর খিদমাহ করতে চান। দাঈ হিসেবে দ্বীনের বাণী পৌঁছে দিতে চান। ভবিষ্যতে আরবি বিখ্যাত প্রাচীন দূর্লভ কিতাবগুলোর অনুবাদ করে সঠিক আকিদার খেদমত করতে চান। এজন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।