শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লা বিভাগে পাশের হারে শীর্ষে চাঁদপুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৩৬ এম
কুমিল্লা বিভাগে পাশের হারে শীর্ষে চাঁদপুর
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ২৮ নভেম্বর রবিবার সারাদেশে একযোগে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ কম। গতবছর পাশের হার ছিলো ৯৩.৫৮ শতাংশ।

এদিকে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হারে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষ স্থান দখল করেছে চাঁদপুর জেলা। চাঁদপুর থেকে সর্বমোট ২৮৪টি বিদ্যালয়ের ২৭ হাজার ৬শ’ ৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদেরর মধ্যে ২৬ হাজান ৭৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩৪৬ জন। পাশের হার ৯৪.১৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কুমিল্লা জেলার পাশের হার ৯৩.০৭ শতাংশ। অপরদিকে প্রাপ্ত ফলাফলে চাঁদপুর শহরের বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এপ্লাসে শীর্ষে রয়েছে আল- আমিন স্কুল এন্ড কলেজ একাডেমি এবং শতভাগ পাশ করেছে পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, শহরের আল-আমিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবছর মোট পরিক্ষার্থী ছিলো ৬১৮ জন। তাদের মধ্য থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১২ জন। তবে এদের মধ্যে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলো ২জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪৯ জন। এ প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার ৯৯.৪৫ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,  এবারের প্রাপ্ত ফলাফলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং খুশি। গত বছরের তুলনায় আমাদের ফলাফল এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার বেড়েছে। এ জন্য আমি ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি উত্তীর্ণ হওয়ার সকল শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করছি। এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।

Model Hospital

এবছর শতভাগ পাশে চমক দেখিয়েছে, চাঁদপুর পৌরসভার ব্যায়ে পরিচালিত পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এবছর ৩০ জন্য পরিক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভা উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়াও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। এ সাফল্যের বিষয়ে বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, এ ফলাফলের জন্যে আমি আমাদের মেয়র মহোদয়, ম্যানেজিং কমিটি এবং  শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

হাসান আলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিক্ষার্থী ছিলো ২২৪ জন এবং উত্তীর্ণ হয়েছে ২২৩ জন। জিপিএ -৫ পেয়েছে ১৬৯ জন। পাশের হার ৯৯.৫৫ শতাংশ। এই ফলাফলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

জেলার নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট পরিক্ষার্থী ছিলো ২৬৮জন। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৬৫ জন। পাশের হার ৯৯.২৫ শতাংশ। এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ -৫ পেয়েছে ১৫৪ জন। গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬২ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৫৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৬.৯১ শতাংশ।

বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৪৬ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৬.৯৩ শতাংশ।

পুরানবাজার মধুসূদন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭০ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৬৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৯.০৬ শতাংশ।

আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডমি থেকে ৬৭ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯২.৯৪ শতাংশ।

লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৮ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৯৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৫.১৯ শতাংশ।

লেডি দেহলবী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৫ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯০.৫০ শতাংশ।

পীর মহসিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৩ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৮ জন। জিপিএ-৫ নেই। পাশের হার ৮৫.৩৮ শতাংশ।

ডিএন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৪ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৫.৩১ শতাংশ।

নুরীয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৭ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯৫.৭০ শতাংশ।

পুরাণবাজার গার্লস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৬ জন পরিক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন শিক্ষার্থী। পাশের হার ৯০.৯১ শতাংশ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital