বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে রাতভর পাহারা দিয়েও রক্ষা হয়নি চরের মাটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:৪৩ এম
হাইমচরে রাতভর পাহারা দিয়েও রক্ষা হয়নি চরের মাটি
হাইমচর ব্যুরো : হাইমচরের মধ্যচরে রাতভর পাহারা দিয়েও রক্ষা করতে পারেনি নিজ গ্রামের মাটি। মাটি সরবরাহর কাজে ব্যবহৃত জাহাজ আটক করে প্রশাসনকে অবহিত করার পরেও প্রশাসন নেয়নি কোন ব্যবস্থা। দুপুর ১২ টার দিকে জাহাজটি নিয়ে যায়
মাটি খেকো চক্রটি। এ যেন সরিষার মধ্যে ভূত। উপজেলা জুড়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।
মাটি খেকো চক্রের মূল হোতা চাঁদপুরের মুন্না তালুকদার ও রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রনি। এদের আটক করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া সরকার জানান, গত ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাটি খেকো চক্রটি শিকদার কান্দিতে মাটি কাটা শুরু করে। আমরা গ্রামবাসী তাদের ধাওয়া দিলে তারা চলে যায়। আমরা রাত ৩টা পর্যন্ত পাহারা দিয়ে সবাই বাড়ি চলে যাই। বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে এই চক্রটি পুনরায় মাটি কাটে। সকাল সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে তারা একটি জাহাজ রেখে পালিয়ে যায়। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও তারা নেয় নি কোন ব্যবস্থা। নীলকমল নৌ-পুলিশ, ঈশানবালা বায়ারচর পুলিশকে অবহিত করেও কোন লাভ হয়না।
পরবর্তীতে চক্রটি এসে জাহাজটি নিয়ে যায়। আমরা নদী রক্ষায় বুধবার একটি চর রক্ষা কমিটি গঠন করেছি। আমাদের চরকে আমাদেরকেই রক্ষা করতে হবে।
সাবেক চেয়ারম্যান রতন হাজী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমি ভাল না হলে কি করে নীলকমলকে রক্ষা করবো। মাটি খেকো চক্র মাটি কাটলো পুলিশকে খবর দিলাম, তারা আসলো বেকু পেলো, স্প্রীড বোট পেল আটকালো না। অথছ নদীর পাড়ের নীরিহ মানুষগুলোকে মারধোর করলো। মাটি খেকোরা পালিয়ে গেলো। একটি জাহাজ আটক করলো এলাকাবাসী। ভোর ৬টায় নীলকমল পুলিশসহ প্রশাসনকে জানানো হলো। কেউ আসলোনা, পুলিশের অপেক্ষায় ছিলাম সকাল ৯ টা পর্যন্ত। রাতভর জেগেছিলাম, তাই একটু বিশ্রাম নিতে বাড়িতে গিয়েছিলাম। লোকজন ছিল জাহাজ পাহারায়, দুপুর ১২ টার সময় সেটাও এ চক্রটি নিয়ে গেল। কাকে বিশ্বাস করবো, প্রশাসন যদি আসামী না ধরে, দেখেও না দেখার মত থাকে। তাহলে আর কি করা যায়। তবে আমরা আমাদের সম্পদ রক্ষায় নিজেরাই ভূমিকা নিতে হবে।
নীলকমল নৌপুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. হোসেন সরকার জানান, মাটি কাটার সংবাদ পেয়ে রাতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর তারা সবাই পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তারা আবার মাটি কাটতে আসলে এলাকার লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। লোকজন একটি জাহাজও আটক করে আমাদের সংবাদ দেয়। আমরা ফোর্স পাঠালে তারা যাওয়ার পূর্বেই তারা জাহাজটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
নীলকমল ইউপি চেয়ারম্যান সউদ আল নাসের বলেন, চরের মাটি রক্ষায় আমার যা করা লাগবে আমি তাই করবো। মাটি রক্ষায় কোন চক্রকে ছার দেয়া হবে না। প্রয়োজনে নীলকমলবাসীকে সাথে নিয়ে আন্দোলন করা হবে। তবুও নীলকমলের মানচিত্র থেকে কোন গ্রামকে বিলুপ্ত হতে দেয়া হবে না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital