বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, মাদক ব্যবসায়ীকে খুন, আটক- ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৩:৫৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, মাদক ব্যবসায়ীকে খুন, আটক- ১

এস এম ইকবাল: মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ফরিদগঞ্জের সকদি রামপুর এলাকায় সোহেল বেপারী (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকৃত আসামী সাহাদাত হোসেন (৩০ উপজেলার বালিথুবা (পশ্চিম) ইউনিয়নের সকদিরামপুর এলাকার গাজী বাড়ির শাহাজান গাজীর ছেলে।

এ দিকে হত্যার ৪ দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারী রোববার বিকেলে উপজেলার বালিথুবা (পশ্চিম) ইউনিয়নের সকদিরামপুর এলাকার বড় পাটওয়ারী বাড়ির পিছনের গড় থেকে মাটি চাপা অবস্থায় সোহেলের মৃতদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর ও ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ।

নিহত সোহেল বেপারী চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর তিন তাল গাছতল এলাকার ফজলু মিয়া বেপারীর ছেলে।

জানাযায়, পহেলা ফেব্রুয়ারী বুধবার রাতে ৫ বন্ধু মিলে উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সকদি রামপুর বাইক্কার বাগান এলাকায় মাদক সেবন করতে যায়। সেখানে মাদক সেবনের এক পর্যায়ে মাদকের টাকা নিয়ে উভয়ের মাঝে বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে সাহাদাত, কাউছার, জাকির ও কাদিরসহ চার তাদের সাথে থাকা রশি দিয়ে সোহেল বেপারীর গলায় পেঁছিয়ে ধরলে তার মৃত্যু হয়। পরে তারা লাশ সকদি রামপুর বড় পাটওয়ারী বাড়ি পিছনে গড়ে মাটি চাপা দিয়ে রাখে।

Model Hospital

এ দিকে গত পহেলা ফেব্রুয়ারীর পর থেকে সোহেল বেপারীর কোন খোঁজ পাওয়ায় তার স্ত্রী জোস্না বেগম ৫ ফেব্রুয়ারী সকালে চাঁদপুর মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী করে। (ডায়েরী নং-৭৪)। সে আলোকে চাঁদপুর মডেল থানার এ. এস. আই শহীদ উল্লা অনুসন্ধানে নামে এবং সোহেলের পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে ফরিদগঞ্জের চান্দ্রা বাজার এলাকা থেকে সাহাদাত হোসেনকে আটক করে। সাহাদাত হোসেনকে ব্যাপক জিজ্ঞাবাদে সোহেল বেপারী হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে সকদিরামপুর এলাকার বড় পাটওয়ারী বাড়ির পিছনের গড় থেকে মাটি চাপা অবস্থায় সোহেলের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশি তথ্যমতে নিহত সোহেল বেপারী ও আটককৃত সাহাদাতের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

লাশ উদ্ধার কালে উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আজিজুন নাহার, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল মান্নান, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রশিদসহ পুলিশ সদস্য।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital