বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশন’র মাতৃভাষা দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:১০ পিএম
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশন’র মাতৃভাষা দিবস পালিত
নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জে উপজেলার সক্রিয় অরাজনৈতিক, সেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হল মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
২১শে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে পতাকা উত্তোলন করা হয়,সকাল ৬ টায় সংগঠনের সেচ্ছাসেবীরা প্রতাতফেরী নিয়ে গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের খাজুরিয়া বাজার সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রদক্ষিন করে এসে খাজুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরববর্তীতে সকাল ৯ ঘটিকা থেকে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী খাজুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্নয় করা হয়।এতে সেবা নেন দুই শতাধিক মানুষ।
এই সময় আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,নাঈম চৌধুরী,কামরুল মোল্লা,হাচান মাছুম,জাকিয়া সুলতানা,হাচান আটিয়া,মোজাম্মেল হোসেন,হাসনাত গাজী,কামরুল হাচান,সাইফুল ইসলাম গাজী,তাজুল ইসলাম,রাকিব আহম্মেদ,নাঈমা আক্তার,রফিকুল ইসলাম রাফি,হানিফ হোসেন,সাকিব হাচান,ইকবাল গাজী,নাঈমুল ইসলাম নাঈম।
এইসময় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্নয়ে সহযোগীতা করেন, সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষী,সেন্ট্রাল হাসপাতাল ফরিদগঞ্জ (প্রা:) এর ল্যাব ইনচার্জ মেহেদী হাচান রাসেল।
উল্লেখ্য,আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশন গত ৩ বছর ধরে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যেমে নিজেদের সরব রেখেছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।