বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে মসজিদ ভাঙ্গতে চায় এক নারী, মুসল্লীদের ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৩, ৬:৩৫ পিএম
হাজীগঞ্জে মসজিদ ভাঙ্গতে চায় এক নারী, মুসল্লীদের ক্ষোভ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ ভাঙ্গতে এক নারীর বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মুসল্লীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা যায়। ঘটনাটি হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড মমিন রোডে মোহাম্মাদিয়া পাঞ্জেগানা মসজিদ নিয়ে।

জানাযায়, মমিন রোডের চারপাশের বসবাসরত বাসিন্দাদের মাঝে মোহাম্মাদিয়া পাঞ্জেগানা মসজিদটি ২০২২ সালে গড়ে উঠে। এর আগে ২০১৫ সালের দিকে এই স্থানে ইমারত নির্মাণ করেন মমিন রোড এলাকার মৃত আশ্রাফ আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান। সরকারের ক তফসিল ভুক্ত ভূমিতে দোকান ঘর নির্মাণের কারনে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা দেয়। সে থেকে নির্মাণকৃত ভবনটি প্ররিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল বছরের পর বছর। পরে এখানে স্থানীয় বখাটে যুবক ও মাদকসেবিদের আস্তানায় পরিনত হয়।

২০২২ সালে স্থানীয় ৩০/৩৫ জন মুসল্লি মিলে ভবনটি নির্মাণকারী আব্দুল মান্নান এর কাছে লিখিত স্ট্যাম্পের মাধ্যমে উক্ত জায়গায় পাঞ্জেগানা মসজিদ হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি নেয়। একই সাথে মুসল্লিরা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির বরাবর সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য আবেদন করেন। গত এক বছরের উপরে পাঞ্জেগানা মসজিদ কমিটি গঠনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মুসুল্লিরা নামাজ আদায় করে আসছে।

কিন্তু হঠাৎ করে বাঁধা হয়ে দাড়ায় পাশ্ববর্তী ৯ নং ওয়ার্ডের কংগ্রাইশ মাদ্রাসা বাড়ীর মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে নাজমা বেগম।

Model Hospital

উক্ত মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুল মান্নান, সাধারন সম্পাদক শাহ আলম মানিক ও মসজিদের পেশ ইমাম জাকির হোসেন বলেন, মূলত জায়গাটা হচ্ছে সরকারী। ততকালীন যিনি দোকানের জন্য ইমারত নির্মাণ করতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা কবলে পড়েন সেই ভবন নির্মাণকারী আব্দুল মান্নান এর কাছে লিখিত স্ট্যাম্পের মাধ্যমে উক্ত জায়গায় পাঞ্জেগানা মসজিদ হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি নেয়া হয়। যার কাছ থেকে ভবনটি ব্যবহারের অনুমতি নিয়েছি, তার কাছ থেকে কোন বাঁধাগ্রস্ত পাইনি। অথচ এ মসজিদ ভাঙ্গার জন্য বাঁধা হয়ে দাড়ায় তার আত্মীয় একই ওয়ার্ডের কংগাইশ মাদ্রাসা বাড়ীর মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে নাজমা বেগম। তিনি গত কয়েক মাস ধরে এ জায়গা থেকে পাঞ্জেগানা মসজিদ ভেঙ্গে সেখাসে মাদ্রাসা করার স্বপ্ন দেখছেন। ইতিমধ্যে কিছু মদদী ও গাঁজা খাওয়া ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে এ পাঞ্জেগানা মসজিদ ভাঙ্গার চেষ্টা করে আসছে।

মুসুল্লি আনোয়ার হোসেন, নরুল ইসলাম ফারুক, আবুল কালাম পাটোওয়ারী, মজিবুল হক তালুকদার বলেন, আমরা সাধারন মুসুল্লি এ পাঞ্জেগানা মসজিদ নামাজ আদায় করে আসছি। কেউ যদি মসজিদ ভাঙ্গতে আসে তাহলে আমরা মুসল্লিরা এর প্রতিবাদ জানাই। সরকারের জায়গার উপর মসজিদ, সরকারের প্রয়োজন হলে তারা দখলে যাবে, অন্যকেউ যেন ভাঙ্গার চেষ্টা করতে না পারে সে জন্য আমরা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

দখলের চেষ্টায় লিপ্ত নারী নাজমা বেগম বর্তমানে ওমরা হজ্ব পালনে সৌদিআরব থাকায় যোগাযোগ করার চেস্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital