শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মেম্বারের সাথে বিধবা নারীর পরকিয়ার জেরে মা-ছেলের পাল্টা অভিযোগ, তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩, ১১:৪৪ পিএম
চাঁদপুরে মেম্বারের সাথে বিধবা নারীর পরকিয়ার জেরে মা-ছেলের পাল্টা অভিযোগ, তোলপাড়
চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে মেম্বারের সাথে মায়ের পরকিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তারই ছেলে শিশির। বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে সংবাদকর্মীদের কান্না জড়িত কন্ঠে মায়ের পরকিয়ার কথা জানান তিনি। সামাজিক এ অভক্ষয়ের কারনে এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযুক্তদের অনিয়মের প্রতিবাদে ছেলে শিশিরসহ এলাকার যুব সমাজ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এ নিয়ে মায়ের পাল্টা
অভিযোগও রযেছে।
জানা যায়, বালিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড গুলিশা গ্রামের মুত আব্দুল কুদ্দুছ গাজীর স্ত্রী আলেয়া সুলতানা নাহারের সাথে একই ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার আব্দুল হামিদ ভুঁইয়া দীর্ঘদিন তাদের বাড়িতে কারনে অকারণে এসে তার মায়ের সাথে পরকিয়ায় আসক্ত হন। এমনটাই জানালেন ঐ নারীর ছেলে রায়হান হোসেন শিশির। তিনি আরো জানান, মেম্বার হামিদ ভুইয়া তাদের বাড়িতে আনাগোনা থাকায় এলাকাবাসীসহ তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হলে এক পর্যায়ে মায়ের পরকিয়ার বিয়টি ছেলে শিশির বুঝতে পেরে মাকে সে পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। উল্টো তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান শিশির।
এ বিষয়ে রায়হান হোসেন শিশির আরো বলেন, আমি দেড় বছর প্রবাসে ছিলাম। প্রবাস থেকে বাড়িতে এসে মেম্বারের সাথে মায়ের পরকিয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে এর প্রতিবাদ করায় মা, মেম্বার এবং আমার ছোট ভাইয়ের চক্রান্তের স্বীকার হয়ে আমার এখন বাড়ি ছাড়ার উপক্রম হয়েছে।
এ বিষয়ে মৃত কুদ্দুছ গাজীর স্ত্রী আলেয়া সুলতানা নাহার বলেন, আমার ছেলে একজন মাদকাসক্ত, নেশার টাকা না দিলেই আমার উপর হামলা করতে চলে আসে। বাড়িতে কয়েকবার হামলা করে ঘরের বেড়া ভাংচুর করেন। তাকে সম্পত্তি বিক্রি করে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু বিদেশে গিয়ে সে কোন টাকা পয়সা আমাকে না দিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এসেই সংসারে অশান্তি শুরু করেন।
এ বিষয়ে শিশিরের ছোট ভাই রায়হান ইসলাম জুম্মান গাজী বলেন, আমার বড় ভাই মায়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সংসারে অশান্তি করে যাচ্ছেন। তার অপপ্রচারের কারনে আমাদের সমাজে বিভিন্ন ভাবে অনেক ক্ষতি হয়েছে। রাজমিস্ত্রি কাজের জুগালি দিয়ে মা বোনকে নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছি। কিন্তু বড় ভাই আমাদের শান্তিতে বসবাস করতে দিচ্ছেনা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেম্বার হামিদ ভুঁইয়া বলেন, একটা চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যে বিষয়টি নিয়ে যে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, তা একদম সঠিক নয়। আমি জনপ্রতিনিধি, আমাকে দিয়ে অনৈতিক কাজ হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীও কুদ্দুছ গাজীর স্ত্রীর পরকিয়ার কথা স্বীকার করে সর্ব মহলে পরকিয়ার বিষয়টি এখনো আলোচনা হচ্ছে বলে জানান। তারা আরো বলেন, তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। এ ছাড়াও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন মেম্বারের কাছে বিভিন্ন কার্ডের জন্য গেলে সে গালমন্দ ও নারীদের কুপ্রস্তাব দেন। এটা থেকে পরিত্রান চায় উক্ত ওয়ার্ডবাসী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital