বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

লোডশেডিং নিয়ে তর্ক: সদলবলে আ.লীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে শাসিয়ে এলেন মন্ত্রীর খালাতো ভাই

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩, ১০:৩৩ পিএম
লোডশেডিং নিয়ে তর্ক: সদলবলে আ.লীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে শাসিয়ে এলেন মন্ত্রীর খালাতো ভাই

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং নিয়ে তর্কের জের ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই হামলার একটি ভিডিও ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে। তর্কের বিষয় নিয়ে থানা অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কিশোর রায় চৌধুরী মনির বাড়িতে গিয়ে হামলা ও হুমকি-ধমকি দিয়েছেন যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

অভিযোগ রয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের খালাতো ভাই, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আহমদ কামাল অহিদকে ফোনকল করে গালাগালি করেন। এর জের ধরে গতকাল শুক্রবার আহমদ কামাল অহিদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কিশোর রায় চৌধুরী মনিকে মারতে যান। ক্লাব রোডের বাসায় তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাসায় হামলা করেন তাঁরা।

এ ঘটনার ভিডিও উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেলের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, আহমদ কামাল রিফাত অহিদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ভূঁইয়া উজ্জ্বল, জায়ফর নগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী মাহফুজ নাইম, হুমায়ুন রশিদ, আরিফ আহমদসহ ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী কিশোর রায় চৌধুরী মনির বাসার গেটে লাঠিসোঁটা দিয়ে বাড়ি দিচ্ছেন। চিৎকার করে গালাগালি করছেন। তাঁকে না পেয়ে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন।

Model Hospital

এরপর যুবলীগের সহসভাপতি আহমদ কামাল অহিদ জুড়ী থানায় কিশোর রায় চৌধুরী মনির বিরুদ্ধে হত্যা হুমকির অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ফেসবুকে পোস্ট করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কিশোর রায় চৌধুরী মনি বলেন, ‘আমি কল দিয়েছিলাম বিদ্যুতের বিষয় নিয়ে, যেন উনি একটু বলে দেন। কারণ, বিদ্যুতের কাউকে পাচ্ছিলাম না। কথার একপর্যায়ে দুজনই উত্তেজিত হয়ে যাই। পরের দিন সকালে (শুক্রবার) আমার বাড়িতে কামাল অহিদের নেতৃত্বে হামলা হয়। এই ঘটনায় আমার বাচ্চারা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমি তাদের নিয়ে ডাক্তারের কাছে আছি।’

ফোন কলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোর রায় বলেন, ‘আমার শরীরে মাথা একটা, তাই এত সাহস আমার নাই যে মন্ত্রীর ভাইকে হুমকি দেব!’

এ ব্যাপারে আহমদ কামাল অহিদ বলেন, ‘উনি আমাকে কল দিয়ে গভীর রাতে জানতে চান বিদ্যুৎ নাই কেন? একপর্যায়ে গালাগালি করেন। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। আমি শুক্রবার দুপুরে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’

জুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কামাল অহিদ জিডি করেছেন। তবে হামলার বিষয়টি আমরা জানি না।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital