সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্বরণ সভা ও দোয়া

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩, ৯:৪৯ পিএম
এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্বরণ সভা ও দোয়া
চাঁদপুর সদর উপজেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও এম এম নুরুল হক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ এম এম নুরুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সকালে বিদ্যালয় মাঠে এ স্বরণ সভা করা হয়। প্রতিষ্ঠাতার একমাত্র পুত্র বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মন্জুরুল হক শোয়েব এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তিনি একজন সমাজ সেবক, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তাই ১৯৯৭ সনে এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করেন। এতে উপজেলার বেশ ক’টি গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা এ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছেন এবং শিক্ষা গ্রহন করে দেশ বিদেশে বিভিন্ন ভালো অবস্থানে রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার হচ্ছে শিক্ষাবান্ধব সরকার। বিগত সরকারের আমলে এত উন্নয়ন হয়নি যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে হয়েছে। দেশের প্রায় অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় বড় ভবন হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা দিতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের গর্ব শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি এমপিও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
চাঁদপুরের উন্নয়নে দীপু আপা ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলছেন। পরিশেষে আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ এম এম নুরুল হক সাহেবের রুহের মাগফিরাত কামনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফয়েজ আহমেদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপদেষ্টা কথাসাহিত্যিক ও লেখক জেসমিন মুন্নি, আশিকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর সরকার, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য সেলিম পাটওয়ারী বাবুল, অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুস সোবহান মাষ্টার, প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাজী মোঃ মহসিন।
উক্ত স্বরণ সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পাটওয়ারীর স্বাগত বক্তব্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আবেদ শাহ, প্রতিষ্ঠাতার সহধর্মিণী মন্জুরা বেগম, চাঁদপুর লেডি প্রতীমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াদ হোসেন, সফরমালি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, সেনগাঁও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। পরে মরহুম এম এম নুরুল হক এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ জুলাই ভোর ৪টা ১০ মিনিটে ঢাকা উত্তরার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযার নামাজ শেষে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুম আলহাজ্ব এম এম নুরুল হক চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নে ১৯৯৭ সালে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা করেন এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিদ্যালয়ের পাশে মনজুরা ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা লিল্লাহ বোর্ডিং এবং আল আরাফা জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।
কর্মজীবনে তিনি দেশের খ্যাতিনামা সাতটি ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি ছিলেন দানশীল ও পরোপকারী ব্যক্তি। সমাজের নানা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন তিনি।

কচুয়ায় বিয়ের ৫ মাসের মাথায় এক নববধুর পুত্র সন্তান প্রসব!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ পিএম
কচুয়ায় বিয়ের ৫ মাসের মাথায় এক নববধুর পুত্র সন্তান প্রসব!

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় বিয়ের মাত্র ৫ মাস ১দিনের মাথায় এক নববধূর পুত্র সন্তান প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার শাসনপাড়া গ্রামের জমির উদ্দিন প্রধানিয়া বাড়ির (চুইল্লাগো বাড়ি) এ ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শাসনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেনের মেয়ে সুরাইয়া আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মতলব দক্ষিণ উপজেলার আশ্বিনপুর উত্তর বৈদ্য সরকার বাড়ির সুখ মিয়া সরকারের ছেলে আশিকুর রহমানের সাথে ২০২৬ সালের ২২ মার্চ মধ্যরাতে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় । সুরাইয়া আক্তার বিয়ের আগে দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এলাকার সুন্দুলপুরে একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করতেন। বিয়ের প্রায় ৫মাস ১দিন পর গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দাউদকান্দি-গৌরীপুর এলাকার দেশ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের (সিজার) মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন সুরাইয়া আক্তার। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে সামির হোসেন। বিয়ের সময়কাল ও সন্তান জন্মের সময়ের ব্যবধান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানান আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে সন্তান জন্মের পর প্রথম দিকে স্বামী আশিকুর রহমান সন্তানের খোঁজখবর নিলেও বর্তমানে মনোমালিন্যের কারণে স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজখবর না নিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন রেখেছেন। ৫মাস ১দিনে একটি নবজাতক সন্তান কী কওে জন্ম হয়, এ নিয়ে আশিকের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে নানান কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে এবং এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।

এ বিষয়ে সন্তানের মা সুরাইয়া আক্তার জানান, তার প্রচন্ড ডায়াবেটিস ছিল, যা তার স্বামী আশিকও জানতেন এবং মতলবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। ডায়াবেটিসের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান জন্ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার বাইরে অন্য কোনো বিষয় নেই বলেও দাবি করেন।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, তার স্বামী তার শিশু সন্তানের পক্ষে রয়েছেন। তবে স্বামীর বোনসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে স্বামী ও সন্তানের কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে সুরাইয়া আক্তারের স্বামী আশিকুর রহমান মুঠোফোনে তার এক চাচার সাথে কথোপকোথনে ৫ মাসে কীভাবে সন্তান জন্ম হওয়া দাবি করে বিষয়টি সমাধান চেয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।