মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরের মেঘনায় তিনটি বাল্কহেড জব্দ, আটক ৬

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৮:১৮ পিএম
মতলব উত্তরের মেঘনায় তিনটি বাল্কহেড জব্দ, আটক ৬

মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদী থেকে তিনটি ব্লাকহেডসহ ছয়জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোহনপুর সংলগ্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান।

আটকরা হলেন- সাইদুল ইসলাম (৪০), মো. ঝন্টু মিয়া (৩৯), সুমন (৪০), মো. সুলতান (৭০), মো. ফিরোজ মিয়া (৪৭), সুমন (৪৯)।

জব্দ করা ব্লাকহেডগুলো হলো- দিনের আলো-১, দিনের আলো-২ ও তমাল নেভিগেশন।

দিনের আলো-২ এর মাস্টার মো. সুলতান মিয়া জানান, ফরিদপুর থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে ব্লাকহেডে বালু ভর্তি করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। তাদের কাজ হচ্ছে বহন করা। তার মতো প্রতিরাতে বালুবাহী কমপক্ষে শতাধিক বাল্কহেড ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তার বাল্কহেডের কাগজপত্র ঠিক আছে বলে জানান তিনি।

Model Hospital

মোহনপুর নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো. মুনিরুজ্জামন জানান, মেঘনা নদীর সীমানায় অসংখ্য বাল্কহেডের কারণে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে চলাচল করার সময় এ ধরনের সমস্যায় বেশি পড়তে হচ্ছে।

নদীতে যত্রতত্র বাল্কহেড নোঙর করে রাখায় বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে বলে তিনি জানান।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অন্ধকারে বাল্কহেড চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা বাল্কহেডের বেশিরভাগ অংশই পানিতে ডুবে থাকে। এছাড়া লাইটিংয়ের তেমন ব্যবস্থা নেই। এতে করে দ্রুতগামী নৌযানের সঙ্গে যেকোনো মুহূর্তে সংঘর্ষ ঘটতে পারে।

রাতে নদীতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।