শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারের প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

নারায়ণপুর বাজারে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩, ৯:২২ পিএম
নারায়ণপুর বাজারে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ

সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নারায়ণপুর বাজারের অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলো। যানবাহন, পথচারী ও শিক্ষার্থীসহ সকলেই চরম ভোগান্তিতে পড়েন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে। নারায়ণপুর বাজারের প্রতিটা সড়ক যেন ক্ষতবিক্ষত। পানি জমে থাকার কারনে রাস্তাগুলোর পিচ নষ্ট হয়ে ইট-পাথরের কণা উঠে গেছে। ছোট বড় গর্তে জমে থাকা বৃষ্টির পানির সাথে কাদা মাটি মিশ্রিত হয়ে নষ্ট করে দেয় পথচারীসহ ক্রেতা সাধারণের জামা-কাপড়। এতে এই বাজারের প্রতি দিন দিন মানুষের আগ্রহ কমে যাচ্ছে বলে বিক্রেতাদের অভিযোগ।

ঐতিহ্যবাহী নারায়ণপুর বাজারে প্রতি দিন কয়েক হাজার ক্রেতা ও জনগনের সমাগম ঘটে। কিন্তু এই ঐতিহ্যবাহী বাজারে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারের প্রধান সড়কের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আর এ সময় পানি মারিয়ে ক্রেতা সাধারণ দোকানে আসতে না পারায় দোকানদারদের অবসর সময় কাটাতে হয়। আর এতে করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেমে আসে ধস। বাজারের বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কলেজ রোড পর্যন্ত বেশি জলাবদ্ধতার সৃষ্ঠি হচ্ছে। এতে করে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা সহ রাস্তার করুন অবস্থা লক্ষণীয়। তাছাড়া পথচারীদের দুর্ভোগের কোন অন্ত নেই। পথ চলাচলে পথচারীদের গায়ে যানবাহন চালিত চাকায় পানির পৃষ্ঠতায় ভোগান্তীর শিকার হন পথচারীরা। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে এ ভোগান্তীর শিকার হন বেশি। এ জন্য বাজার সংশ্লিষ্টদের নিকট শিক্ষার্থী ও ক্রেতা সাধারণের একান্ত দাবী, বাজারের রাস্তাগুলো যেন দ্রুত সংস্কার করা হয়।

মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে বাজারে প্রবেশ করার প্রধান সড়কের ক্ষত বিক্ষত চিত্র।

এদিকে বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নারায়ণপুর বাজারের একাধিক ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রতিটি দোকানে অর্থ বিনিয়োগ করেছেন তারা। এজন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ক্রেতা সাধারণ বাজারের একটি সুন্দর পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। যদি তারা তা না পায় তাহলে এই বাজারের প্রতি আগ্রহ হারাবে। বিশেষ করে বাজারের পশ্চিম প্রান্ত থেকে পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ মূল এবং শাখা রাস্তাগুলোর সংস্কার করা একান্তই প্রয়োজন। একই সাথে বাজারের পানি নিষ্কাষনের জন্য বাজার সংলগ্ন বোয়ালজুড়ি খাল ও ছোট খাল থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টিতে বাজারের অভ্যন্তরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এর থেকে উত্তরণের জন্য পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবীও জানিয়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা।

এ ব্যাপারে নারায়ণপুর বাজার বণিক ও জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সফিকুল ইসলাম স্বপন মজুমদার বলেন, বাজার উন্নয়নের জন্য আমার নিকট কোন ধরনের বরাদ্দ নেই। বাজারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পাহারাদারের বেতন দিতেই আমাকে হিমশিম খেতে হয়। তিনি আরও বলেন, নারায়ণপুর বাজারের যে অংশ যে ইউপি চেয়ারম্যানের আওতায় তিনি ঐ অংশের উন্নয়নের কাজ করবেন।

Model Hospital

এ ব্যাপারে ৩নং খাদেরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন হাওলাদার বলেন, নারায়ণপুর বাজারে আমার ইউনিয়নের যে অংশটুকু আছে এটা নিয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করে জনদূর্ভোগ লাগবের চেষ্টা করবো।

এ ব্যাপারে কথা হয় মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাসের সাথে। তিনি বলেন, নারায়ণপুর বাজার ওই এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এ বাজারের অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যাটি দুঃখজনক। বাজার কমিটি এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital