শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ইসফাক আহসান সিআইপির

মতলব উত্তরে সাটানো বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩, ৯:৫০ পিএম
মতলব উত্তরে সাটানো বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসন থেকে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সদস্য এর কর্মী-সমর্থকদের লাগানো ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মতলব উত্তর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এম ইসফাক আহসান সিআইপির কর্মী-সমর্থকরা বিলবোর্ড সাটানো হয়েছে। ওই বিলবোর্ডে জাতির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে শহীদ পরিবার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি যুক্ত ছিল। বিলবোর্ডগুলো লাগানোর পর গত মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন স্থানে সাটানো বিলবোর্ডগুলো ছিঁড়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ উপজেলাজুড়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে। সেক্ষেত্রে কারো জনপ্রিয়তা বেশি, হয়তো কারো কম। কিন্তু কারো জনপ্রিয়তা দেখে, তার বিলবোর্ড-ফেস্টুন কেটে নিবে, ছিঁড়ে ফেলবে, এটা কেমন রাজনীতি? ওই বিলবোর্ডগুলোতে তো আমাদের জাতির পিতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের ছবিও ছিল। আমরা এমন প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না।

Model Hospital

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সংযুক্ত ছবি কাটতে যারা কোন পরোয়া করে না, তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সদস্য বলেন, নেতাদের ব্যানার-ফেস্টুন কর্মীরা লাগাবে- এটা তাদের নেতাদের প্রতি ভালোবাসা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার। আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী। আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাই আমাকে দলের ভিতর অনেকেই পছন্দ নাও করতে পারেন। তাই বলে এভাবে বঙ্গবন্ধু ও আমাদের মাতৃতুল্য নেত্রী শেখ হাসিনার ছবি কেটে নিবে? এটা কেমন রাজনীতি? আমি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।