বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিযান বাস্তবায়ন করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে : অতিরিক্ত সচিব নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ

সজীব খান প্রকাশিত: শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:০১ পিএম
অভিযান বাস্তবায়ন করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে : অতিরিক্ত সচিব নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ

চাঁদপুরে মৎস্য অধিদপ্তরাধীন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও বাস্তবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ বাস্তবায়ন উপলক্ষে স্টোকহোল্ডারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ অক্টোবর শনিবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হেদায়েত উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ।

এ সময় তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিনের অভিযান সফল করতে জেলেদের এ বিষয়ে সচেতন করতে, এ নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে জেলেরা যাতে নামতে না পারে তার জন্য সবাইকে চোখকান খোলা রাখতে হবে। আগামী ২২ দিন মা ইলিশ ধরা বন্ধ থাকলে এর সুফল জেলেরাই পাবে। তাই সরকার নির্ধারিত সময়ে নদীতে কেউ জাল ফেলতে না পারে সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ২২ দিন মা ইলিশ ধরা ও কেনা-বেচার সঙ্গে যাদের পাওয়া যাবে, সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শতভাগ সফল করতে সরকার নির্ধারিত এই সময়ে প্রশানকে সবার সহযোগিতা করতে হবে। এ সময় অভিযান চলাকালে জেলেরা যাতে মাছ শিকারে নদীতে নামতে না পারে, সে জন্য নদী কেন্দ্রীয় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে হবে। অভিযান চলাকালে নদীতে কোনো জেলেকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানা।

Model Hospital

তিনি বলেন, অভিযান বাস্তবায়ন করলে ইলিশ উৎপাদন বাড়বে, জেলেদেরকে মাছ উৎপাদনের বিষয়ে জানাতে হবে, ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি হলে জেলেদেরেই উপকার আসবে, জেলেরাই ইলিশ ধরে বিক্রি করবে, অন্য কেউই নদীতে মাছ ধরবেনা, নদীতে মাছ বেশি হলে একদিকে রাষ্ট্রের উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে মাছ থাকলে জেলেদের উপকার আসবে। মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিন সবাইকে সচেতন হতে হবে, এ বিষয়ে প্রচার প্রচারনা, মাইকিং করতে হবে, কোন প্রকার যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে এ অভিযানের সময় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে, জেলেদের নদীতে মাছ না ধারার জন্য তাদের উপকর দেওয়া হচ্ছে। জেলেরা যাতে গোপনে মাছ ধরে বিক্রি না করতে পারে, তারজন্য সবাইকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদি হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের চট্রগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোঃ আবদুস ছাত্তার, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, ইলিশ গভেষনার উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম, ইলিশ প্র্রকল্পের উপ পরিচাক মাহবুবুর রহমান, চাঁদপুর নৌ থানার ওসি কামরুজ্জাম, দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি মির্জা জাকির, চাঁদপুর মডেল থানার পরির্দশক আব্দুর রাজ্জাক, হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ঢ়ারী, কল্যাণপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটওয়ারী, ইব্রাহীমপুর ইউপি সচিব আনোয়ার হোসেন, মৎস্যজীবি নেতা তসলিম বেপারী, মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি মানিক জমাদার, কান্ট্রি বোর্ড মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লীক, মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি মালেক দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান প্রমুখ।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital