বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক সভা

জেলে কার্ড বাতিল করা হবে : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:৪৯ পিএম
জেলে কার্ড বাতিল করা হবে : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

২০২৩- ২৪ ১৪ বছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১২ অক্টোবর সকালে চাঁদপুর বড়স্টেশন মোলহেডে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, চাঁদপুর পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ইলিশ জাতীয় সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষা করতে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, আমরা চাই না কোনো জেলে নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে জেলে খাটুক, তার পরিবার কষ্টে থাকুক।

Model Hospital

তিনি জেলেদেরকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, অভিযানের ২২ দিন আপনারা আপনাদের পরিবারকে সময় দিন, জাল এবং নৌকা মেরামত করুন। কেউ অসুস্থ থাকলে তাকে চিকিৎসা দিন, সামাজিক কাজ করুন। ২২ দিন এমনিতেই কেটে যাবে। অভিযানে নদীতে মাছ শিকার না করার জন্য সরকার আপনাদেরকে প্রায় সারাবছর বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করছে। মা ইলিশ ডিম ছাড়লে এতে আপনারাই লাভবান হবেন।

একটা ইলিশ ১৫ থেকে ২৩ লাখ ডিম ছাড়ে, ইলিশ সারাবছর ডিম ছাড়ে না, তবে এ সময়টাতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ বঙ্গোপসাগর থেকে এসে দেশের প্রায় ৩৪টি জেলায় ডিম ছাড়ে, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ্মা ও মেঘনায় মা ইলিশের বিচরণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। ইলিশের জন্য দেশে এবং বিদেশে চাঁদপুরের সুনাম রয়েছে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, অভিযান চলাকালীন সময়ে আইন অমান্যকারীকে কমপক্ষে ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এ ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধের সাথে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

হাইমচর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবু রশীদের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ইলিশ গবেষনা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রোমানা ইয়াসমিন, চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ফরিদা ইলিয়াস, ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিকুর রহমান, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান, জেঔলা কান্ট্রিফিশিং মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক তসলিম বেপারী।

সচেতনতামূলক সভা শেষে মা ইলিশ সংরক্ষণ বিষয়ক লিফলেট উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করেন টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা। পরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে মেঘনা মোহনায় নৌ র‌্যালি বের হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital