বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যান হুকুমে টিসিবির পন্য লুটের অভিযোগ

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:০৮ পিএম
ফরিদগঞ্জে ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যান হুকুমে টিসিবির পন্য লুটের অভিযোগ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ইউপি সচিব ও চেয়াম্যানের হুকুমে টিসিবির পন্য লুটের অভিযোগ উঠে। এতে করে টিসিবির পন্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে ১০১ জন কার্ডধারী। পন্য নিতে এসে ফিরে যেতে হলে এই সকল কার্ডধারীর। গত কয়েক মাসে টিসিবির পন্য বিতরণে এমন অভিযোগ কথা যানান স্থানীয়রা।

২০শে নভেম্বর সকালে উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়নে টিসিবির পন্য বিতরন কালে ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যনের লোকজন এসে ১০১টি কার্ডের মালামাল নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন ডিলার। এসময় কার্ডকৃত লোকজন মাল না নিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে।

ঘটনা সূত্রে যানাযায়, সারাদেশের ন্যায়ে ফরিদগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়নে টিসিবির পন্য বিতরন করছিলেন ডিলার।

এসময় সচিবের স্বাক্ষরিত ও চেয়ারম্যানের হুকুমে পন্য বিতরন শেষ করার আগেই ১০১ জনের কার্ডে মালামাল নিয়ে যায়। মাল না থাকায় তালিকাকৃত লোকজন এসে ফিরে যেতে হয়। যানাযায় এই ইউনিয়নে ১০৯০টি কার্ডের মাধ্যমে পন্য বিতরনের কথা রয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে ৯৮৯টি কার্ডে পন্য বিতরনে পর সচিবের স্বাক্ষরকৃত একটি কার্ডে ১৭টি মাল বাকী সকল মালামাল চেয়ারম্যানের নামে নিয়ে যায় তার লোকজন।

Model Hospital

এসময় কার্ড নিয়ে এসে ফিরে যেতে হয় ১০১জন কার্ডধারী। এতে করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে বিষয়টি সমাধান করেন।

কার্ডধারী আইব আলী, নাছির উদ্দিন, ইউছুব, ফারজানা, আবুল কালাম, বিউটি, শাহিনুরসহ অনেকে বলেন, প্রতিমাসে চেয়ারম্যান ও সচিব মিলে টিসিবির পন্য নিয়ে যায়। অনেক কার্ডধারী এসে ফিরে যেতে হয়। আজ ও তার ব্যতিক্রম নয় সচিব ও চেয়াম্যান মিলে সকল মালামাল নিয়ে গেছে। আমরা মাল নিতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। আমরা ভাড়া দিয়ে এসে এই ভাবে মাল না নিয়ে ফিরে যেতে হবে যানলে আসতাম না। আমাদের ভাড়ার টাকা দিয়ে দেক আমরা চলে যাই। চেয়ারম্যান ও সচিব যদি মাল নিতে হয় তা হলে আমাদের কার্ড দেওয়ার প্রয়োজন ছিল কি?

টিসিবির ডিলার জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি সকাল থেকে মাল বিতরন করে আসছি। সচিবের স্বাক্ষরিত একটি ভিজিটিং কার্ডে ১৭টি মাল দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি পরে আরো কয়েকজন চেয়াম্যানের লোক পরিচয়ে দিয়ে বাকী মালামাল নিয়ে যায়। সচিবকে জিঞ্জাসা করলে তিনি বলেন এরা চেয়ারম্যানের লোক। চেয়াম্যানের নির্দেশে নাকি তারা মালামাল নিয়ে যেতে এসেছে। আমরা কি করবো।

ইউপি সচিব আমির হোসেন মুঠোফোনে বিষয়টি শিকার করে বলেন, আমি চেয়ারম্যানের কথায় মাল দিতে বলেছি। আমি কি করবো।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আলমগীর হোসেন রিপন বলেন, আমি বলেছি বিতরন শেষ হলে যদি কোন কার্ডের মাল থাকে সেই মাল রেখে দিতে যাতে অন্য মানুষকে দেওয়া যায়। এত মাল সচিব কেন নিতে দিলো আমি কথা বলে দেখবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌলী মন্ডল বলেন, আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি যানতে পারলাম। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital