মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা সমিতি ঢাকার আয়োজনে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন

মো. মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০:০৪ পিএম
চাঁদপুর জেলা সমিতি ঢাকার আয়োজনে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন
শাহরাস্তিতে চাঁদপুর জেলা সমিতি ঢাকার আয়োজনে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ।
শনিবার সকালে পৌরশহরের  জিকে উবি এবং দুপুরে খিলাবাজার স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে শীতার্ত অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রতি শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষের মাঝে ৩ হাজার কম্বল বিতরন করে আসছেন।
ওই হিসেবে এবারেই প্রথম কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্বশরীরে শাহরাস্তি এলাকায় এসে এ কম্বল বিতরণ করল।
আগামী দিনগুলোতে নেতৃবৃন্দ জনগনের ভাগ্যোন্নয়নে ও কল্যানে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিবেন বলে জানান।
এছাড়া সংগঠনটি ১৯ ৫৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানাবিধ সমাজিক জনহিতকর কাজ করে আসছেন।
ওইসময় সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বর্তমানে ব্যাংকার ইসমাইল হোসেন সিরাজীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওই সমিতির ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়ার সহ-সভাপতি সফিউল আলম স্বপন, বিশেষ অতিথি ছিলেন আজীবন সদস্য ইঞ্জি: মুকবুল হোসেন, তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.হেলাল উদ্দিন মোল্লা, চেতনা মজিব কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা  বিশিষ্ট ব্যাংকার হাবিব রায়হান , বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও এ কমিটির কার্যকরী সদস্য আমিমুল আহসান নেয়ামত, এস এফ কাফি আনাম, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মনির হোসেন হোসেন মীরণ, জাতীয় পাটির কেন্দ্রীয় ছাত্র সমাজের নেতা শাহজালাল, উপজেলা সভাপতি আ: মান্নান মোল্লা, প্রেসক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দ, ইউপি আলীগের সভাপতি আ: রশীদ পাট: , আলীগ নেতা পংন্কজ,মহসিন, জসিম উদ্দিন, মাহফুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।