বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অপহরণ নয়, স্কুল থেকে ফেরার পথে

স্বইচ্ছায় পালিয়েছে শিক্ষার্থী: উদ্ধারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বললেন ইশরাত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১:৫৩ পিএম
স্বইচ্ছায় পালিয়েছে শিক্ষার্থী: উদ্ধারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বললেন ইশরাত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে স্কুল থেকে ফেরার পথে ইশরাত জাহান (১৬) নামের সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুল শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনার মাত্র চার ঘন্টার মধ্যেই উদ্বার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) রাত আটটার দিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

উদ্ধারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ইশরাত জাহান জানান, অপহরণ নয়, স্বইচ্ছায় সাব্বিরের সাথে পালিয়েছে। সাব্বিরের সাথে ইশরাত জাহানের প্রেমের সম্পর্ক চলছে।

এর আগে বেলা আড়াইটার দিকে বিদ্যালয় থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের ধোপা বাড়ি ও মজুমদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে ইশরাত জাহানকে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত স্কুটারে উঠিয়ে নিয়ার অভিযোগ উঠেছে সাব্বির (২৩) ও রনি (২১) নামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে।

ইশরাত জাহান ওই গ্রামের সিএনজিচালক জুয়েলের মেয়ে। সে জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপহরণকারী দুই যুবক চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তারা দুইজন গত এক বছর যাবত ওই এলাকায় সড়ক নির্মাণ কাজের শ্রমিক হিসাবে কাজ করতো।

Model Hospital

এদিকে অপহরণের শিকার ইশরাত জাহানের সহপাঠী ও তার খালাতো বোন মুক্তা আক্তার জানান, দুপুরে বিদ্যালয় ছুটির পর তারা দুইজন বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ করে হরিপুর টু জগন্নাথপুর সড়কের মজুমদার বাড়ির সামনে গেলে সাব্বির ও রনি জোরপূর্বক ইশরাতকে সিএনজিতে তোলে। দুপুর বেলায় সড়কের আশেপাশে কোনো মানুষ না থাকায় আটকানো যায়নি অপহরণকারীদের। যদিও পরে তা অস্বীকার করে মুক্তা জানান, জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এটি ছিলো তাদের সাজানো।

শিক্ষার্থীর মা রুজিনা বেগম জানান, স্বামীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া গ্রামে। গেলো ৮ বছর ধরে তিনি স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন। তিনি বলেন, মেয়েকে কখনও দেখিনি কারোর সাথে কথা বলতে। আমি নিজেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করি না।

এদিকে অপহরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুঁটে যান হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খুরশীদ আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স। পরে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতা ইশরাত জাহানকে চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের একটি এলাকা থেকে উদ্বার করা হয়েছে।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত সাব্বির ও রনি। তাদের আটকের জন্য অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আবদুর রশিদের নেতৃত্বে এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে এক কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে আনা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) পঙ্কজ কুমার দে জানান, ইশরাত জাহানকে উদ্বার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital