বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে একদিনে দুই রাসেল ভাইপার ধরা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪, ৮:২৯ পিএম
হাইমচরে একদিনে দুই রাসেল ভাইপার ধরা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

হাইমচর উপজেলায় ফসলি জমি থেকে কিলিংমেশিন খ্যাত ভয়ংকর বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৩নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের চরভাঙ্গা গ্রামের কমডেকা মাঠে কৃষক মিজানুর রহমান কাজী নামে এক ব্যক্তির ফসলি জমিতে সাপটির দেখা মিলে। পরে কৃষককে ছোবল দেয়ার জন্য এগিয়ে আসলে সে সাপটিকে তৎক্ষণাৎ পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান কাজী জানান, বিভিন্ন সময় ফেসবুকে রাসেল ভাইপার সাপ দেখেছি। এবার বাস্তবে আমার ফসলি জমিতে এ সাপের দেখা মিলল।

শুক্রবার দুপুর ১টার সময় গরুর জন্য আমার ফসলি জমিতে ঘাস কাটতে গিয়ে দেখি সাপটি জমিতে পানির মধ্যে ছোটাছুটি করছে। সাপটি দেখে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরে সাপটি আমাকে কামড় দেওয়ার জন্য তেড়ে আসলে লাঠি সোটা দিয়ে সাপটিকে পিটিয় মেরে ফেলি।

Model Hospital

জানা গেছে, একই দিনে বিকেলে উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা লঞ্চঘাটে মেঘনার জোয়ারে ভেসে আসে রাসেল ভাইপার সাপ পরে এলাকাবাসী সাপটি পিটিয়ে পেরে পেলেন। সাপটি বাংলাদেশে বর্তমানে যে সব সাপ দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে রাসেল ভাইপার সবচেয়ে বিষাক্ত। এই সাপের কামড়ে শরীরের দংশিত অংশে বিষ ছড়িয়ে অঙ্গহানি, ক্রমাগত রক্তপাত, রক্ত জমাট বাঁধা, স্নায়ু বৈকল্য, চোখ ভারি হয়ে যাওয়া, পক্ষাঘাত ও কিডনির ক্ষতিসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়।

এ বিষয়ে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডাঃ একে এম আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাসেলস ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। বাচ্চা দেওয়ার কারণে হয়তো ওই সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাসেল ভাইপারে ভ্যাক্সিন রয়েছে। যদি কাউকে এই সাপটি কামড় দেয়, তাহলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।