সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৪, ১০:০২ পিএম
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে টানা কর্মসূচি পালন ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান ফটকে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এরপরেও উপাচার্য ড. মোহাম্মদ নাসিম আখতার পদত্যাগ না করায় রাষ্ট্রপতি বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষার্থীদের পক্ষে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারলিপি দেন ফখরুদ্দিন ওমর, সায়েম, রাকিবুল, কবির, নিহাল ও মো. সিয়াম হোসেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ নাসিম আখতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি।

Model Hospital

তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকারের অংশ আবাসিক হল, ক্যান্টিন, ক্যাফেটেরিয়া, যাতায়াতের জন্য বাস ইত্যাদি দিতে তিনি পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা খেলাধুলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি কেবল কোচিং সেন্টারের মতো একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

তিন বছরের অধিক সময় তিনি উপাচার্যের পদে থাকলেও বিভাগগুলোতে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ দেননি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে আক্রোশের জায়গাটি হলো গত ১৪ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে তিনি স্থানীয় ছাত্রলীগের ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে বাধা দেন এবং জোরপূর্বক ব্যানার কেড়ে নেন।

তিনি নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীদের তথ্য জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কাছে দিয়েছেন।

আন্দোলন চলাকালীন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ উদাসীন। তার এসব কর্মকাণ্ডে আমরা সব শিক্ষার্থী তার পদত্যাগ চাই।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।