বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ভূমি বিরোধের জেরে আপন সহোদরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪, ৭:০২ পিএম
শাহরাস্তিতে ভূমি বিরোধের জেরে আপন সহোদরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম
শাহরাস্তিতে ভূমি বিরোধের জেরে আপন সহোদরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ওই কান্ডে গুরুতর আহত উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউপির প্রসন্নপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র বাবুল মিয়া ( ৫৫) শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা, শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, ওই বাড়ির আহত বাবুল মিয়ার আপন সহোদর ছোট ভাই মোঃ শাহজাহান মিয়া (৫০) সঙ্গে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ওই বিরোধের জেরে ২০২৩ সালে তার ভাই শাহজাহান গংরা ভাই বাবুলকে পিটিয়ে হাতের কব্জি ভেঙ্গে দেন।
পরে তিনি শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশন নং ৮৩০৩/০৭ তা:২১ নভেম্বর ২০২৩ সাল নিয়ে ওইদিন শাহরাস্তি থানায় একটি সাধারণ ডায়রির আবেদন  করেন।
এরপর থেকে তার ভাই শাহজাহান হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে।
এদিকে গত ১৫ই আগস্ট হঠাৎ করে শাহজাহান স্থানীয় আনোয়ার মিয়ার দোকানের সামনে ইটের সলিং এর রাস্তার উপর তর্কে জড়িয়ে ভাই বাবুল মিয়াকে বেদম প্রহার করে হাতে থাকা টর্চ লাইট দিয়ে পিটিয়ে মাথা ও মুখমন্ডলের কিছু অংশ ফাটিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত বাবুল মিয়াকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি নং ২৬১৭/১৮, (১৫ আগস্ট) দেন।
বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে আহতের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০) জানান, আমাদের ভূমির পরিমাণ চারশতক। এই ভূমিটুকু আমার দেবর জোর জুলুম করে নিয়ে গিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা করছে। ওই ভূমিকে কেন্দ্র করে আবারো আমার স্বামীকে মেরে মুমূর্ষু করে।
এ ঘটনায় আমি শাহরাস্তি থানায় দেবর শাহজানের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিচার চাই।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।